অলৌকিক ঘটনার স্বাক্ষী, নদী থেকে স্বপ্নে দেখা কলসি উদ্ধার করল নাবালক

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিশালগড়, ৫ সেপ্টেম্বর: এক অলৌকিক ঘটনার সাক্ষি হল বিশালগড়ের পূর্ব লক্ষীবিল গ্রাম পঞ্চায়েতের শিবটিলা এলাকার গ্রামবাসী। স্বপ্নর মধ্যে ভগবান দেখা দিল নবম শ্রেণীর ছাত্র মনজিৎকে, এমনি দাবি ওই নাবালকের।

মনজিৎ ছোটবেলা থেকেই ঠাকুর অন্ত প্রান। ঠাকুর পুজা দেওয়া, দেব দেবীদের গল্প পড়া, আর টিভি ও মোবাইলেও ঠাকুরের সিরিয়েল দেখতে খুব পছন্দ তার। কিন্তু বিগত তিনমাস যাবৎ মনজিতের সাথে যা হয়েছে তা সত্যি কোন অলৌকিক ঘটনা থেকে কম নয়। বাংলা জৈষ্ঠ্য মাস থেকেই মনোজিৎ এক অদ্ভুত স্বপ্ন দেখছে। তার স্বপ্নে নাকি স্বয়ং মা দূর্গা এসে কাঁদছেন। মনজিতকে মা দূর্গা বার বার বলছেন নদীর পারে একটি কলশ আছে, সেই কলশটি তুলে এনে মায়ের পুজো করতে।

এই স্বপ্নের কথা তার মায়ের কাছে বললে মা তাকে বেশি ঠাকুর ঠাকুর করতে বারন করেন।পড়াশোনায় মনোনিবেশ করার পরামর্শ দেন। কিন্তু মনজিতের মন জানি কেমন কেমন করতো, এমনই জানায় ওই যুবক। গত রবিবার রাতে সেই স্বপ্ন আবার দেখে মনজিত। তাকে আবারও মা দূর্গা আবাহন করেন, তাকে বলেন “তুই আয়, আমি আছি, তোর কিচ্ছু হবে না, আমাকে মুক্ত কর”।

মনজিত আর থাকতে পারেনি। ঠাকুমার সাথেই ঐ রাতে ঘুমিয়েছিল সে। রাত সাড়ে তিনটায় নিজে থেকেই উঠে পরে ঘুম থেকে। এই গভীর অন্ধকারে বাড়ি থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে নদীর পাড় থেকে সেই কলশ উদ্ধার করে নিয়ে আসে। বাড়ির পাশেই প্রায় একশ বছর পুরনো শিবটিলা কালি মন্দির। সেই মন্দিরে কলশটি রেখে মাকে ঘুম থেকে তোলে মনজিৎ।

কলশটির মধ্যে ছিল তিনটি করুই । মা দুর্গা মনোজিৎকে স্বপ্নে নাকি এও বলেছে ‘তুই তিনটি করুই এর একটি তোর গ্রামে, আর দুটি দুই গ্রামে ফেলে আসবি, গতকাল রাতে যখন মানুষের মধ্যে এই বিষয়টি ছড়ায় তখন ওই এলাকায় প্রধান,  উপপ্রধান এবং এলাকাবাসীরা মিটিং করে সিদ্ধান্ত নেয়, যে এই বছর দুর্গ পূজো করা হবে পশ্চিম লক্ষীবিল শিবটিলা এলাকায়। মনজিতের কথায় শিহরিত এলাকার প্রত্যেকেই।