নিজস্ব প্রতিনিধি, ধর্মনগর, ২ সেপ্টেম্বর: কাজের সন্ধানে বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে আটক পাঁচ বাংলাদেশী নাগরিক। তবে ধৃতরা জানায় তারা জিরানিয়া থেকে ট্রেনে করে বহিঃরাজ্যে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ধর্মনগর এসেছিল। সেখানে রবিবার রাতে তাদেরকে আটক করা হয়েছে।
গত শনিবার বাংলাদেশের ঢাকা থেকে মাধবপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পাঁচ বাংলাদেশী নাগরিক ভারতে প্রবেশ করে। পরে তারা জিরানিয়া রেল স্টেশনে আসে বহিঃরাজ্যে কাজের সন্ধানে যাওয়ার জন্য। তখন ট্রেনে করে তারা ধর্মনগর এসে নেমে পড়ে। এরপর বিএসএফ জওয়ানরা তাদের পাকড়াও করে। কিন্তু অপরদিকে জওয়ানরা জানায়, বৈটাংবাড়ি সীমান্ত এলাকায় ধৃতদের পাকড়াও করেছে বলে। এ নিয়ে পুলিশের মনে বিভিন্ন সন্দেহের দানা বাঁধছে।
ধৃতরা আরো জানায়, বাংলাদেশের ইব্রাহিম নামে এক দালাল ভারতের অপর দালালের সঙ্গে কথা বলে টাকার বিনিময়ে তাদের সীমান্ত পার করে দেয়। ধৃত পাঁচজনের নাম সোহেল মিয়া (২৬) ফারজানা বেগম (২৩) পেয়ারা বেগম (২৮) সারানা গাজী (৩২) ও সুমি শেখ (১৭)। তাদের বাড়ি বাংলাদেশের ঢাকা ও খুলনা জেলায়। তারা জানায় ১ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫০০ টাকার বিনিময়ে ভারতে প্রবেশ করে।
তাদের ত্রিপুরার কোন জায়গা পরিচিত না থাকায় জিরানিয়া সহ ধর্মনগরে অযথা ঘুরাঘুরি করতে থাকে। যার কারণেই সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে তারা। নতুবা অনাহাসেই ত্রিপুরা থেকে বহিঃরাজ্যে তাদের গন্তব্যস্থলে পৌঁছে যেতো। এভাবে অবৈধ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গার ছড়াছড়ি রয়েছে ত্রিপুরায়। ত্রিপুরাকে করিডোর বানিয়ে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে তারা অনায়াসে প্রবেশ করছে। এতে যেমন সীমান্তরক্ষী বাহিনী নজর দিচ্ছে না তেমনি জেলা প্রশাসনও উদাসীন রয়েছে। তবে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার উপরও। তাদের কাছে এ ধরনের কোন খবরই থাকেনা।