গুয়াহাটি, ২৮ জুলাই (হি.স.) : ভারতীয় জনতা পার্টির প্রবীণ নেতা তথা পোড়খাওয়া রাজনীতিবিদ পঞ্চদশ এবং ষোড়শ লোকসভায় অসমের মঙ্গলদৈ-এর সাংসদ রমেন ডেকাকে ছত্তিশগড়ের নয়া রাজ্যপাল পদে নিয়োগ করেছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।
১৯৫৪ সালের ১ মার্চ কামরূপ জেলার অন্তর্গত শুয়ালকুচিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন রমেন ডেকা। তাঁর বাবা সুরেন্দ্রনাথ ডেকা এবং চম্পাবতী ডেকা। মা ও বাবা, উভয়েই প্রয়াত। গুয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন প্রাগজ্যোতিষ কলেজ থেকে দর্শন ও অর্থনীতিতে স্নাতক রমেন ডেকা দীর্ঘ মেয়াদে ভারতীয় রাজনীতিতে বিচরণ করেছেন তিনি।
রমেন ডেকা অসম প্রদেশ বিজেপির সভাপতির পদও দক্ষতার সঙ্গে সামলেছেন। প্রবীণ পোড়খাওয়া রাজনীতিক রমেন ডেকা ১৯৭৪-৭৫ সালে গৌহাটি ইউনিভার্সিটির কোর্ট মেম্বার ছিলেন। এর পর ১৯৭৭ সালে অসম প্রদেশ জনতা পার্টির সাধারণ সম্পাদক পদে নিয়োজিত হন তিনি। এর পর যথাক্রমে ১৯৮০ সালে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, ২০০৫ সালে প্রদেশ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক এবং মুখপাত্র, প্রদেশ উপ-সভাপতি, উত্তরপূর্ব সমন্বয় পরিষদ এবং জাতীয় পরিষদের সদস্য, জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি এবং মেঘালয়ের প্রভারি।
১৯০৬ সালে দলের প্রদেশ সভাপতি, ২০০৯ সালে পঞ্চদশ লোকসভার সদস্য নির্বাচিত, ২০০৯ সালের ৩১ আগস্ট থেকে ২০১৪ সালের মে পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য।
২০১০ সালের ১ মে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির সদস্য, ভারত-ভুটান সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ সদস্য, অধস্তন আইন সংক্রান্ত কমিটি, সংসদীয় সদস্যের বৈঠকে সদস্যদের অনুপস্থিতি সংক্রান্ত কমিটির সদস্য, ডোনার এবং খনি মন্ত্রালয়ের কনস্যুলেটিভ কমিটির সদস্য হিসেবে নিয়োজিত হয়েছিলেন ডেকা।
এছাড়া একাধারে তিনি ২০১৪ সালের ১৬-তম লোকসভায় দ্বিতীয় মেয়াদে পুনরায় নির্বাচিত সাংসদ। ওই সালের ৯ জুন থেকে লোকসভায় চেয়ারপারসনের প্যানেল সদস্য।
২০১৪ সালের ১৪ আগস্ট থেকে এস্টিমেট সংক্রান্ত কমিটির সদস্য, পরামর্শক কমিটির সদস্য, বিদেশ বিষয়ক মন্ত্রক এবং প্রবাসী ভারতীয় বিষয়ক মন্ত্রকের সদস্য, ‘প্রধানমন্ত্রী আদর্শ গ্রাম যোজনা’-র অধীন কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটির সদস্য, ভারত-চিন সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপের সদস্য, চা বোর্ডের সদস্য হিসেবে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন রমেন।
এছাড়া ২০১৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৮ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য, ২০১৫ সালের ২৯ জানুয়ারী থেকে জেনারেল পার্পাস কমিটির সদস্য, ওই সালেরই ৩ জুলাই থেকে অতিরিক্তভাবে এস্টিমেট কমিটির সাব-কমিটি-২-এর সদস্যপদে দায়িত্ব পান তিনি। ২০১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে আবার তকে পররাষ্ট্র বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত করা হয়।



















