কমলপুরে শহীদ বিমল সিংহের শহীদান দিবস পালিত

নিজস্ব প্রতিনিধি, কমলপুর, ৩১ মার্চ: রাজ্যের প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শহীদ বিমল সিংহের ২৭ তম শহীদান দিবস রূপসপুরের স্হায়ী শহীদ বেদীসহ কমলপুর ১০ টি অঞ্চলে স্মরণে শপথে যথাযথ মর্যাদার সহিত পালন করা হয় । ১৯৯৮ সালের ৩১ শে মার্চ আভাঙ্গার ঘাটে সন্ত্রাসবাদীদের গুলিতে তৎকালীন স্বাস্হ্যমন্ত্রী ও শ্রমিকনেতা বিমল সিংহ এবং তার সহোদর বিদ্যুৎ সিংহ নিহত হয়। এই দিনটি সন্ত্রাসবাদ বিরোধী দিবস ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের শপথে পালন করে সি পি আই( এম ) ।

রূপসপুরে মূল শহীদ বেদিতে  মাল্যদান করেন সি পি আই (এম ) ত্রিপুরা রাজ্য কমিটির সদস্য অঞ্জন দাস, ধলাই জেলা কমিটির সদস্য কল্যানী রায়,কমলপুর মহকুমা সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য হরিমাধব শর্মা, অমর ভট্টাচার্য ,শহীদ পরিবারের সদস্য/সদস্যারাসহ অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মী সমর্থকরা ।

এখানে বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন বিধায়ক অঞ্জন দাস ।অঞ্জন দাস বলেন ২৬ বছর আগের সেই  দিনের দুপুরের রক্তাক্ত ,অভিশপ্ত ও ভয়ঙ্কর ঘটনাটি আমাদের মন থেকে কোনদিন মুছে যাবে না। উচ্চ শিক্ষিত হয়ে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মতাদর্শ বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রেল আদর্শকে পাথেয় করে এই মানুষটি প্রতিদিন প্রতিপলে অসীম সাহসীকতার সঙ্গে সাধারণ মানুষের সমস্যা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তো সেই গরীবের বন্ধু কমরেড বিমল সিংহকে সাম্প্রদায়িক ও প্রতিক্রয়াশীল শক্তি আমাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে ত্রিপুরার সাম্য ,মৈত্রী আর একতার বন্ধনকে হত্যা করেছে ।

এদিন শাসক দলকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, বিগত দশ বছরে বিকাশ হয়েছে কয়েকজন কোটিপতির। এত দিনে মোদির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২০ কোটি যুবক-যুবতীর চাকরি দেবার কথ।সরকারি তথ্য বলছে দশ বছরে এক কোটি চাকরি ও হয় নি। মোদি সরকারের ঢালাও  বিজ্ঞাপনে যা আমরা পাই, তার সাথে দেশের অর্থনীতির মৌলিক ভিত্তির কোনও যোগাযোগ নাই। বর্তমান ভারতের আয় ও সম্পদের বৈষম্য ব্রিটিশ ভারত থেকে খারাপ। মোদি সরকার ২০৪৭ সাল দেখিয়ে ১৯৪৭ সালে টেনে নামাতে চাইছে। কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতির মধ্য অন্যতম হলো নির্বাচনী বন্ড। এই বন্ডের কথা আমরা সবাই জানি। এদিনের সভায় তিপ্রা মথার বিরুদ্ধেও একাধিক বিষয়ে সুর চড়িয়েছেন তিনি। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *