আগরতলা, ৮ ফেব্রুয়ারি: উত্তর ত্রিপুরা জেলার ধর্মনগর মহকুমার কদমতলার সুজিত দাস নামে এক ব্যক্তির মৃতদেহ জুরি নদী থেকে উদ্ধার হয়েছে। মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গোটা এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
কদমতলা থানাধীন জুরি নদী থেকে উদ্ধার এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই ব্যক্তি বেলা অনুমানিক বারোটা থেকে নিখোঁজ ছিলেন। মৃত ব্যক্তির নাম সুজিত দাস। পিতা রমেশ দাস। বাড়ি প্রত্যেকরায় গ্রাম পঞ্চায়েতের ইছাই সোনাপুর ১ নং ওয়ার্ডে। বেশ কিছুদিন যাবৎ মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন তিনি। হঠাৎ হঠাৎ কাউকে কিছু না বলে দিন হোক আর রাত হোক বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতেন। তারপর তাঁর স্ত্রী সহ আত্মীয় পরিজন ও প্রতিবেশীরা তাকে খুঁজে বাড়িতে নিয়ে আসতেন।
স্থানীয়দের থেকে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বেলা বারোটা নাগাদ হঠাৎ বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান সুজিত দাস। দীর্ঘক্ষণ বাড়ি না আসায় খোঁজাখুঁজি শুরু হয় চারিদিকে। মৃতের স্ত্রী মাধবী দাস গ্রামের এক যুবককে ডেকে তার স্বামী সুজিত দাসকে খোঁজ আনতে সাহায্য চাই। সেই মোতাবেক ওই যুবক সহ উনার স্ত্রী চারিদিকে খুঁজা খুঁজি শুরু করেন। এমন সময় নদীর ধারে গিয়ে সুজিত দাসের জুতার সন্ধান পায় ওই যুবক। তখন তাঁর স্ত্রী সহ অন্যান্যরা বুঝতে পারেন হয়তোবা নদীর জলে তলিয়ে গেছেন তখন চিৎকার শুরু হয়। চিৎকারে গ্রামের লোকজন ছুটে এসে প্রেমতলা ও ধর্মনগর দমকল বাহিনীকে খবর দেয়। পরবর্তীতে দুই জায়গার দমকল কর্মীরা এসে সুজিতের দেহ নদী থেকে তুলে আনেন। এরপর মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া হয় কদমতলা সামাজিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ।
গ্রামের মানুষ জানিয়েছেন মৃতার সুজিতের মৃগী রোগ ও ছিল। এই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় কদমতলা থানার সেকেন্ড অফিসার আর সাংমা। তিনি একটা ঘটনা প্রত্যক্ষ করে লিপিবদ্ধ করেন ইতিমধ্যে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কদমতলা থানার পুলিশ। কি কারনে মৃত্যুবরণ হল সুজিৎ দাসের ময়নার তদন্তের রিপোর্ট আসার পর জানা যাবে। গোটা ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

