ঊনকোটিতে বেড়াতে গিয়ে শিশুকে নির্যাতন করার অভিযোগ অভিভাবকের বিরুদ্ধে

আগরতলা, ২৭ জানুয়ারি: একদল পর্যটক উদয়পুর থেকে শুক্রবার শৈবতীর্থ ঊনকোটিতে বেড়াতে আসে। এক শিশুকে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠল অভিভাবকের বিরুদ্ধে। শৈবতীর্থএকদল পর্যটক উদয়পুর থেকে আজ শৈবতীর্থ ঊনকোটিতে বেড়াতে এসে এক শিশুকে নির্যাতন করে এক  বেসরকারি নিরাপত্তা কর্মী । 

জানা যায় যে, ওই নিরাপত্তা কর্মীর নাম আনসার আলী। বাবার নাম রমজান আলী। বাড়ি বাগাছড়া এলাকায়। সে বিগত কয়েক বছর ধরে এস আই এস কোম্পানিতে কাজ করছে ।পাশাপাশি সে সৈবতীর্থ উনকোটিতে নিরাপত্তা রক্ষীর দায়িত্বে রয়েছে। জানা যায় আজ খোয়াই থেকে একদল পর্যটক আসে সৈবতীর্থ ঊনকোটিতে তাদের সাথে একটি ১০ বছরের শিশুও আসে।যার নাম সায়নদীপ শীল পিতার নাম লিটন শীল বয়স ১০।

 অভিযোগ ওই শিশু যখন সৈবতীর্থ উনকোটির সীতাকুন্ডুতে স্নান করতে নামে। তখন সেই নিরাপত্তাকর্মী আনসার আলী ওই শিশুটিকে প্রহার করে। তাতেওই শিশুটি জ্ঞান হারিয়ে পড়ে যায় সীতাকুণ্ডুর মধ্যেজলে প্রায় সে ১০ ফুট গভীরে তলিয়ে যায়। এরপর পরিবারের লোকজন ছোটাছুটি করে ওই শিশুটিকে উদ্ধার করে কৈলাশহর ঊনকোটি জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায় ।তার মাথা এবং পায়ে গুরুতরভাবে আঘাত লাগে। 

উক্ত বিষয় নিয়ে সায়নদীপ শীলের পিতা লিটন শীল আনসার আলীর বিরুদ্ধে কৈলাশহর থানায় একটি লিখিত আকারে অভিযোগ দায়ের করে ।কৈলাশহর থানার পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে আনসার আলীকে গ্রেপ্তার করে কৈলাসহর থানায় নিয়ে আসে। বর্তমানে আনসার আলী কৈলাশহর থানার হেফাজতে রয়েছে। সৈবতীর্থ ঊনকোটির মত একটি পর্যটন কেন্দ্রে এসে নিরাপত্তার রক্ষির এই ধরনের আচরণ দেখে হতবাক কৈলাশহরের মানুষ। এর আগে সৈবতীর্থ উনকোটির বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ ছিল না বর্তমানে এই অভিযোগ নিয়ে চিন্তিত গোটা কৈলাশহরবাসী।

সায়নদীপ শীলের পরিবারের লোকেরা জানান শান্তিপ্রিয় কৈলাশহরের পরিবেশকে নষ্ট করার অধিকার কারও নেই। উক্ত ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কৈলাশহর থানার পুলিশ। জানা যায় যে ওই নিরাপত্তা কর্মীর নাম আনসার আলী। বাবার নাম রমজান আলী বাড়ি বাগাছড়া এলাকায় । সে বিগত কয়েক বছর ধরে এস আই এস কোম্পানিতে কাজ করছে । সে সৈবতীর্থ উনকোটিতে নিরাপত্তা রক্ষীর দায়িত্বে রয়েছে।