দেড়গাঁও দুর্ঘটনায় শিশু সহ গুরুতর আহত চারজনকে জিএমসিএইচে স্থানান্তর

গুয়াহাটি, ৪ জানুয়ারি (হি.স.) : বুধবার ভোরে গোলাঘাট জেলার অন্তর্গত দেড়গাঁওয়ের বালিজানে ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়কে সংঘটিত দুর্ঘটনায় আহত চারজনকে সংকটজনক অবস্থায় যোরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে গুয়াহাটিতে গৌহাটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (জিএমসিএইচ)–এ স্থানান্তর করা হয়েছে। বাকি ২৭ জনের চিকিৎসা যোরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেই চলছে। তাঁদের অধিকাংশের শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন হয়নি বলে জানা গেছে। কয়েকজনের চিকিৎসা আইসিইউতে রেখে চলছে।

বুধবার ভোর প্ৰায় পাঁচটা নাগাদ বালিজানের ৩৭ নম্বর চারলেন জাতীয় সড়কে কয়লা-বোঝাই ট্রাকের সঙ্গে যাত্রীবাহী আলট্রা বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশু-তরুণী-মহিলা সহ ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের সংখ্যা আর বাড়েনি। তবে আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের শারীরিক অবস্থা সংকটজনক বলে প্রাপ্ত খবরে প্রকাশ।

সংকটজনক অবস্থায় যাদের গৌহাটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে তাঁরা কুলুমণি শইকিয়া (৩৪), তাঁর মেয়ে প্ৰীতি শইকিয়া (৬), মৃদুল শইকিয়া (৪০) এবং অরূপ শইকিয়া (৩৭)।

গৌহাটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, আহত সবাই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত দলের সতর্ক পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। আজ ভোররাত প্রায় দেড়টা নাগাদ শিশুকন্যা প্ৰীতিকে নিয়ে আসা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। তার বুকের পাঁজরে আঘাত লেগেছে। এছাড়া তার কানের গোড়া থেকে ম্যান্ডিবুলার অ্যাঙ্গেলের গোড়া পর্যন্ত ছয় সেন্টিমিটার প্রেস্টিচ ক্ষত পাওয়া গেছে। ওই স্থান থেকে রক্তপাত হচ্ছে। তার প্লাস্টিক সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে। প্রীতির চিকিৎসার তত্ত্বাবধান করছেন বিশেষজ্ঞ ডা. এইচ আহমেদে।

প্রীতির মা কুলুমণি শইকিয়া ভোররাত ১.:২৫টায় গৌহাটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছেন। তাঁর বাম কাঁধের জয়েন্ট এবং ডান হাঁটুর জয়েন্টে মারাত্মক আঘাত রয়েছে। তাঁর ছয়টি পাঁজর ভেঙেছে। তিনি বিশেষজ্ঞ ডা. আর দাসের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।