নাবালকের মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য, নাবালকের মায়ের বিরুদ্ধে ছেলেকে খুনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি, কৈলাসহর , ২৬ অক্টোবর : আজ কৈলাসহর নুরপুর ২ নং ওয়ার্ড এলাকায় ১০ বছরের এক নাবালকের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। প্রাপ্ত সংবাদে জানা যায়, নুরপুর ২নং ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দা তালেব আলীর ১০ বছরের নাবালক ছেলে সামাগ আলীর ঝুলন্ত মৃতদেহ তার নিজ ঘরের বারান্দা থেকে উদ্ধার করে এলাকাবাসী। পরবর্তীকালে তাকে কৈলাশহর ঊনকোটি জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। স্থানীয়দের কাছ থেকে আরও জানা যায় যে তালেব আলী দিনমজুরের কাজ করে। উনি আজ সকালবেলা কাজের উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েন তখন ঘরে তালেব আলীর স্ত্রী ও সামাগ আলী ঘরের মধ্যে ছিল। এর কিছুক্ষণ পরই এলাকাবাসীদের জানায় তালেব আলীর স্ত্রী যে সামাগ আলী ঘরের বারান্দার মধ্যে একটি গামছা দিয়ে ফাঁসিতে আত্মহত্যা করেছে। এরপর এলাকাবাসীরা সামাগ আলীকে তড়িঘড়ি কৈলাসহর ঊনকোটি জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে যাবার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। এদিকে মৃত নাবালকের মা বাবাকে  জিজ্ঞাসা করলে কোন সদুত্তর দিতে পারেনি তারা পাশাপাশি তালেব আলী দাবী উনার নাবালক ছেলে আত্মহত্যা করেনি। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে স্থানীয়দের দাবি তালেব আলীর স্ত্রী সামাগ আলীকে গলা টিপে হত্যা করে গামছা দিয়ে ঘরের বারান্দার মধ্যে ঝুলিয়ে রেখেছে। তবে কি কারণে আজকের এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে তা এখনো জানা যায়নি। ঘটনার খবর পেয়ে কৈলাসহর ঊনকোটি জেলা হাসপাতালে ছুটে যায় কৈলাসহর থানার পুলিশ। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করে। এটা আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যা তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর জানা যাবে। বর্তমানে তার মৃতদেহ কৈলাসহর উনকোটি জেলা হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়না তদন্ত করার পর তার মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে গোটা কৈলাসহর মহকুমা জুড়ে।