জলের সমস্যার সমাধানের জন্য মুখ্যমন্ত্রী কাছে আবেদন

ধর্মনগর প্রতিনিধি ,8 অক্টোবর : থেকে কদমতলার তেমাথা থেকে শুরু করে কদমতলা আরডি ব্লক পর্যন্ত ৮০০ মিটার জায়গার ডান এবং বাঁদিকে হাজার হাজার মানুষ পানীয় জলের থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। 

উল্লেখ্য রাজ্য সরকারকে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান যে দীর্ঘদিন যাবত পড়ে থাকা পি ডব্লিউ ডি এর রাস্তাটি সংস্কারে হাত দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই ৮০০ মিটার রাস্তা বানাতে গিয়ে হঠাৎ করে  এক অক্টোবর থেকে জলের পাইপলাইন ডিডাব্লিউএস থেকে কেটে দেওয়া হয়েছে। কোন ধরনের বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়াই পানীয় জলের পাইপলাইন কেটে দেওয়ায় বিশাল বিপত্তিতে পড়েছে রাস্তার দুইপাশের ব্যবসায়ীরা এবং বাসিন্দারা। এদিকে দক্ষিণ কদমতলার যে ডিপ টিউবলের ব্যবস্থাটি ছিল তা চার মাস ধরে অকেজো হয়ে পড়ে আছে।

 এই ডিপ টিউবলটিকে সংস্কার করে যদি পাইপলাইন কাটা হত তবুও মানুষের কিছুটা সুরাহা হতো। কিন্তু এইভাবে হঠাৎ করে পূজার প্রাক মুহূর্তে জলের পাইপলাইন কেটে দেওয়ায় মানুষের মধ্যে হাহাকার সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে যেভাবে ৮০০ মিটার রাস্তার কাজ চলছে তাতে কতদিন লাগবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। যদি তিনটি ধাপে রাস্তার কাজ করা হতো এবং জলের পাইপলাইন ধাপে ধাপে কাটা হতো তবুও সাধারণ মানুষ যে জলের হাহাকারে ভুগছে তার থেকে কিছুটা হলেও নিস্তার পেতো।

 নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা মুখ বন্ধ করে বসে আছে যদিও তারা সাধারণ মানুষের ভোটে নির্বাচিত এবং সাধারণ মানুষের সুবিধা ও অসুবিধা বোঝার কর্তব্য তাদের। নিরুপায় কদমতলা বাসীদের পক্ষে প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য আবদুল বাসিত চৌধুরী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহার কাছে আবেদন জানিয়েছেন। যাতে পূজার প্রাক মুহূর্তে পানীয় জল নিয়ে যে দুরবস্থা সৃষ্টি হয়েছে কদমতলার ৮০০ মিটার এলাকার দুপাশের মানুষের মধ্যে তা নিরসনে তিনি যাতে এগিয়ে আসেন। কারণ কদমতলা বাসীরা বুঝে গেছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া তাদেরকে এই অবর্ণনীয় পরিস্থিতির থেকে নিস্তার দেওয়ার আর কেউ নেই। তাই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তারা মানবিক আবেদন জানিয়ে চিঠি লিখেছেন।