কলকাতা, ৪ সেপ্টেম্বর (হি স)। প্রয়োজনে আদালত ও আইনের সাহায্য নিন। সোমবার উদ্যোগপতিদের এই বার্তা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
ব্যবসায়ী সংগঠনের সভায় বক্তব্য রাখার সময় মুখ্যমন্ত্রীর মুখে উঠে এল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার প্রসঙ্গ। পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ীদের কয়েকটি এজেন্সি বারবার হয়রানি করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তুলে আনেন তাঁর পরিবারের প্রসঙ্গও।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এরাজ্যের সব ব্যবসায়ীকেই হয়রানি করছে কয়েকটি এজেন্সি। আমার পরিবারকেও হয়রানি করা হচ্ছে, গোটাটাই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা।’ এমন হলে আদালত ও আইনের সাহায্য নেওয়ার পরামর্শও দেন মুখ্যমন্ত্রী। ধনধান্যে প্রেক্ষাগৃহে আবাসন নির্মাতাদের সংগঠনের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা ভয় পাবেন না, প্রয়োজনে আদালতের সাহায্য নিন।’
এ সম্পর্কে প্রতিক্রিয়ায় সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী যখন যেমন খুশি বলেন। যিনি বলছেন আজ পর্যন্ত কারও কাছ থেকে এক পয়সার চা খাননি বলে যিনি বলছেন, তাঁর পরিবারের নামে কালীঘাট এলাকায় ৩৫টি প্লট রয়েছে। আগে টাকা জোগাড় করতে পারতেন, এখন আর পারছেন না। ওঁর চারপাশে দুর্নীতি ভয়বাহ দুর্গন্ধ। দিল্লির সরকার খুবই খারাপ, যার সঙ্গে উনি ছিলেন, এতে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু ওঁর চলা এবং পরিবার সহ যা কাজকর্ম তা যে বিপজ্জনক তাতে কোনও সন্দেহ নেই।’
বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘আমি জানি না ক’জন ব্যবসায়ীকে এজেন্সি হ্যারাস করেছে বিনা কারণে। যার বাড়িতে কোটি কোটি টাকা আছে, তার বাড়িতে কারণ থাকলে এজেন্সি যাবে। পানদোকানি থেকে ব্যবসায়ী সবাই তোলাবাজি আর অত্যাচার থেকে বাঁচতে বাংলা থেকে পালাচ্ছেন। কোনও নতুন শিল্প বাংলায় আসছে না। যাঁরা নেহাত কারখানাটা করেছে তাঁরা কারখানা নিয়ে পালাতে পারছেন না বলে আছেন। বাংলায় কোনও কাজ নেই, ব্যবসা নেই। এখান থেকে কাজের খোঁজে ছেলেমেয়েরা বাইরে যাচ্ছে, ওখানে মারা যাচ্ছে।’

