ক্রীড়া প্রতিনিধি, আগরতলা, ৬ আগস্ট।। খেলাধুলার বিষয় যখন কোর্ট-কাছারিতে গড়াগড়ি খায়, তখন আখেরে লাভ নিশ্চয়ই কারোর না কারোর হয়ে থাকে। তবে মূলতঃ ক্ষতিগ্রস্ত হয় খেলার মানোন্নয়ন ও প্রসারের। ত্রিপুরা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এবং ক্রিকেট এসোসিয়েশন আইনি বেড়াজালে নিজেদের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে বলা চলে। আপামর ক্রীড়ামোদী মহল কিন্তু আঙ্গুল তুলছে সংস্থাগুলোর সংগঠনিক পরিকাঠামোর দিকেই। এগুলোর আশু সমাধান না হলে কার্যত অনেক ক্লাব, সংঘ ও সংগঠন বিমুখ নীতি প্রদর্শন করবে বলে ধারণা। প্রসঙ্গটা এসেছে ঐতিহ্যবাহী একটি ক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভায় সম্পাদকীয় প্রতিবেদনে উল্লিখিত একটি অনুচ্ছেদকে ঘিরে। “২০২২-২৩ ফুটবলে এগিয়ে চল সংঘ দ্বি-মুকুট জয় করেছে। কিন্তু টি.এফ.এ-র একটা অশুভ চক্র সংঘের এই জয় ভালোভাবে মেনে নিতে পারছে না। নানাভাবে চক্রান্ত করে একটা টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড দেখিয়ে সংঘকে লিগে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা না করে আরেকটি ক্লাবকে অবৈধ সুযোগ করে দেওয়ার জন্য কোর্টে যাওয়ার রাস্তা তৈরি করে দিয়েছে। সংঘের এই সুনাম ও উত্থান টি.এফ.এ-র এই অশুভ চক্রটি মেনে নিতে পারছে না। বর্তমানে ২০২২-২৩ লীগ ফুটবলের বিষয়টি কোর্টের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। গত বছর দ্বি-মুকুট জয় করার লক্ষ্যে ভালো টিম তৈরি করার জন্যে সংঘের অনেক বেশি টাকা খরচ হয়ে গেছে। সংঘের সম্পাদক এবার কথা দিচ্ছেন, ভবিষ্যতে তাঁরা ফুটবলে আর এত টাকা খরচ করবেন না।” আক্ষরিক অর্থে এবং বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে আবেগ তাড়িত এই অনুচ্ছেদটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আর যাই হোক, ক্রীড়ামোদী মহলকে বিষয়টি নিয়ে এই মুহূর্তেই ভাবা প্রয়োজন। প্রসঙ্গত, ৭৬ বছরের এগিয়ে চল সংঘের বার্ষিক সাধারণ সভা আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংঘের আমন্ত্রণে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার প্রফেসর মানিক সাহাও সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। ক্লাবের বছরব্যাপী বিভিন্ন কর্মকান্ড নিয়ে মতবিনিময়ে তিনি ভূয়ষী প্রশংসা করেন।
2023-08-06

