বীরভূম, ৬ আগস্ট (হি.স.): রেলের তরফে আশ্বাস মিলতেই বীরভূমের মুরারই স্টেশনে উঠল ট্রেন অবরোধ কর্মসূচি। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অপেক্ষার পর চলতে শুরু করেছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস-সহ বিভিন্ন ট্রেন। তবে, দীর্ঘ বিক্ষোভে যাত্রী ভোগান্তিও উঠেছে চরমে। এরইমধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর ‘দাদাগিরি’ও দেখল বীরভূম। মুরারই স্টেশনে প্যানেল রুম থেকে রেলের কর্মীকে বার করে দেন এক তৃণমূল নেত্রী। ফাল্গুনী সিনহা নামে ওই নেত্রী সদ্যসমাপ্ত গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে মুরারই-১ পঞ্চায়েত সমিতির নির্বাচিত সদস্য।
ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হচ্ছিল অনেকদিন ধরেই, বহিঃপ্রকাশ হল রবিবার সকালে। রেলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের জেরে বীরভূমে মুরারই রেলস্টেশনে আটকে যায় একাধিক ট্রেন। যার জেরে রবিবার সকাল থেকে যাত্রি ভোগান্তি শুরু হয়। বিক্ষোভের জেরে নলহাটি স্টেশনে দাঁড়িয়ে পড়ে হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে নলহাটি জংশনে দাঁড়িয়ে ওই এক্সপ্রেস ট্রেনটি। ট্রেনের স্টপেজ বৃদ্ধি-সহ একগুচ্ছ দাবি নিয়ে মুরারই স্টেশনে রেললাইনে বসে রবিবার বিক্ষোভ শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। ‘মুরারই নাগরিক কমিটি’ নামে ওই সংগঠনের অবরোধের ফলে সকাল থেকে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস আটকে পড়ে নলহাটি জংশনে। পাশাপাশি, মুরারই স্টেশনে দাঁড়িয়ে পড়ে সাহেবগঞ্জ-রামপুরহাট প্যাসেঞ্জার ট্রেন।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নিত্যযাত্রীদের অভিযোগ, করোনার সময় থেকে মুরারই স্টেশনে বেশ কিছু ট্রেনের স্টপেজ তুলে দেওয়া হয়। তার পর থেকে বেশির ভাগ ট্রেনই ওই স্টেশনে দাঁড়ায় না। কিন্তু ওই স্টেশন থেকে বহু নিত্যযাত্রীর ট্রেন ধরার থাকে। দিনের পর দিন যাতায়াতের অসুবিধা হচ্ছে তাঁদের। এ নিয়ে রেল কর্তৃপক্ষের ভূমিকায় তাঁরা ক্ষুব্ধ। যাইহোক রেলের আশ্বাস পাওয়ার পর, প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অপেক্ষার পর চলতে শুরু করে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস-সহ বিভিন্ন ট্রেন।