কলকাতা, ২২ জুলাই (হি. স.) : জমি সংক্রান্ত বিবাদের জেরে ভাইয়ের বউকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ উঠল ভাসুর ও তার ছেলের বিরুদ্ধে। দগ্ধ ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় গৃহবধূ ভর্তি রয়েছেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজের র্বান বিভাগে। মঙ্গলকোট থানার পুলিশ আটক করেছে ভাসুর ও তার ছেলেকে।
পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের কুরম্বো গ্রামের মাঝের পাড়ায় হঠাৎ শনিবার ভোরে আর্তনাদের শব্দে নবকুমার গড়াইয়ের বাড়িতে ছুটে আসেন গ্রামবাসীরা। তাঁরা দেখতে পান, নবকুমারবাবুর স্ত্রী বিথীকা গড়াইকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা। গায়ে কে বা কারা কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। মূল অভিপুক্ত ছিল তারই ভাসুর সুবল চন্দ্র গড়াই ও তার ছেলে পূর্ন চন্দ্র গড়াই।
এরপর গ্রামবাসীরা ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজে নিয়ে যায়। ওই গৃহবধূ বর্তমানে দগ্ধ ও আশংকাজনক অবস্থায় বর্ধমান মেডিকেল কলেজের বার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন।
এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন, নবকুমার গড়াইয়ের সঙ্গে তার ভাইদের জমি সংক্রান্ত বিবাদ চলছিল বেশ কিছুদিন ধরে। তার ভাইয়ের অর্থাৎ সুবল চন্দ্রের পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় তার বাড়িতে প্লাস্টার করতে বাধা দিচ্ছিল নবকুমার। এই নিয়ে কাটোয়া আদালতে মামলাও চলছে বেশ কয়েক বছর ধরে। শুক্রবার ফের দুই ভাইয়ের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিবাদ সৃষ্টি হয়। অভিযোগ, শনিবার ভোরে সুবলচন্দ্র ও তার ছেলে পূর্ণ চন্দ্র, নব কুমার গড়াইয়ের বাড়িতে গিয়ে চড়াও হয়। এবং তার স্ত্রীর হাত-পা মুখ বেঁধে তার গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। এই ঘটনার পর আজ সকালে মঙ্গলকোট থানার পুলিশ সুবলচন্দ্র ও তার ছেলে পূর্ণচন্দ্রকে আটক করে নিয়ে আসে। এই নির্মম ঘটনার পর এলাকায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।