আগরতলা,১২ জুলাই: রাজ্যে চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত গণবন্টন ব্যবস্থার আওতায় ২,০৫৩টি ন্যায্যমূল্যের দোকান রয়েছে। আজ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা অনিমেষ দেববর্মার এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে খাদ্য ও জনসংভরণ দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত রাজ্যে মোট ১৮-২০টি ন্যায্যমূল্যের দোকান ছিল। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত আরও ২৩৩টি নতুন ন্যায্যমূল্যের দোকান খোলায় বর্তমানে রাজ্যে রেশন দোকানের সংখ্যা ২,০৫৩ দাঁড়িয়েছে যা প্রয়োজনের নিরিখে পর্যাপ্ত বলা যায়। তবে কোথাও যদি নতুন রেশন দোকান খোলার কোন ধরণের প্রস্তাব আসে সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে দপ্তরের তরফে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
খাদ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের সরকারি ন্যায্যমূল্যের দোকানে বর্তমানে পর্যাপ্ত পরিমাণে রেশনসামগ্রী মজুত রয়েছে। প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যের সকল রেশন দোকানে গণবন্টন ব্যবস্থায় মাসিক বরাদ্দের চাল, আটা ও অন্যান্য রেশন সামগ্রী পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয় এবং সাধারণ ভোক্তাগণ নিয়মিত সঠিকভাবে রেশন সামগ্রী পাচ্ছেন। এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে গণবণ্টন ব্যবস্থার অধীনে মুসুর ডাল, চিনি এবং লবন রেশন দোকানে সরবরাহের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সাপ্লায়ার দ্বারা বহি:রাজ্য থেকে আমদানির ক্ষেত্রে পরিবহণজনিত সমস্যা, পন্যদ্রব্যের গুণগতমান পরীক্ষা ইত্যাদি কোন কারণে সাময়িক বিলম্ব হলে যদিও তা
বিরলতম ঘটনা, পরবর্তীতে যখন রেশন দোকানে এই দুব্যগুলির যোগান স্বাভাবিক হয়, ভোক্তাদের তাদের নির্দিষ্ট মাসিক বরাদ্দ যথাযথভাবে বিতরণ করা হয়। খাদ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের সমস্ত রেশন দোকানে ই-পস মেশিনে ভোক্তাদের আধার প্রমাণীকরণের মাধ্যমে রেশন বিতরণ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এর ফলে ভোক্তাদের মাসিক বরাদ্দের রেশন সামগ্রী সঠিকভাবে বিতরণ নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে। পাশাপাশি প্রত্যেক মহকুমায় দপ্তরের সংশ্লিষ্ট আধিকারিক সহ খাদ্য পরিদর্শকরা প্রতিনিয়ত রেশন দোকানগুলির উপর কড়া নজরদারি রাখছেন এবং কোথাও কোন ধরণের অবৈধ কার্যকলাপ পরিলক্ষিত হলে দপ্তর যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।