আগরতলা, ৬ জুলাই (হি.স.): শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি হচ্ছেন ভারতবর্ষের ইতিহাসে এক কিংবদন্তি।আজ ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আগরতলা রবীন্দ্রশতবার্ষিকী ভবনে সরকারিভাবে মূল অনুষ্ঠানে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ মানিক সাহা।
এদিন মানিক সাহা বলেন,ডঃ শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায় ছিলেন একজন অসাধারণ ব্যক্তি, সাথে একজন সম্মানিত শিক্ষাবিদ, যিনি ৩৩ বছর বয়সে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হয়েছিলেন। তিনি এই পদ সামলানোর সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে গৌরব অর্জন করেছেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষার প্রসারে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টার কথা ইতিহাস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়। ডা. সাহা বলেন, ১৯৩৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বাংলায় ভাষণ দেওয়ার জন্য তিনি কবিগুরু রবীন্দ্র নাথ ঠাকুরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে তা ছিল এক ঐতিহাসিক মুহুর্ত।
সাথে তিনি যোগ করেন, ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী ভারতবর্ষের এক কিংবদন্তী নেতা ছিলেন। দেশের অখন্ডতা রক্ষায় তাঁর অবদান ছিল অতুলনীয়। কিন্তু স্বাধীনতার পর ভারতবর্ষে তৎকালীন শাসকদল দেশ গড়ার কাজে ও দেশের অখন্ডতা রক্ষায় ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর অবদানকে কখনও স্মরণ করেনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শুরু থেকেই যুব সমাজকে ভারতের কিংবদন্তী ব্যক্তিত্বদের জীবন ও দর্শন দ্বারা প্রভাবিত করার জন্য প্রয়াস নিয়েছেন।
তাঁর কথায়,ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর কাছে সর্বাগ্রে ছিল দেশ, দেশের অখন্ডতা ও দেশবাসীর কল্যাণ। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী সবসময়ই দেশকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সন্ধিক্ষণে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর মত নেতার খুবই প্রয়োজন। তাঁর আদর্শের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারা কোটি কোটি দেশবাসীর অনুপ্রেরণা।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে রাজনৈতিক দৃশ্যপট ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে।ডা. সাহা এও বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির পদাঙ্ক অনুসরণ করছেন এবং সরকার ও একটি দল হিসাবে তাঁর নির্দেশনা মেনে স্বচ্ছভাবে কাজ করা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।