নয়াদিল্লি, ১৩ মে (হি. স.) : কর্নাটকে ঐতিহাসিক জয় হাজিল করেছে কংগ্রেস। তা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে আবেগতাড়িত হয়ে পড়লেন দলের নেতা রাহুল গান্ধী । জানিয়ে দিলেন, কর্নাটকে ঘৃণার হার হয়েছে, জিতে গিয়েছে ভালবাসা।
শনিবার দুপুর পর্যন্ত কর্নাটকে কংগ্রেস ১৩৭টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। সেই আবহে দিল্লিতে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন রাহুল। সঙ্গে ছিলেন জয়রাম রমেশও। এদিন নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, “সবার আগে কর্নাটকের মানুষ, দলের নেতা-কর্মী, যাঁরা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, সকলকে অভিনন্দন। কর্নাটকে একদিকে, পুঁজিবাদীদের প্রতিপত্তি ছিল, আর অন্য দিকে, দরিদ্র মানুষের শক্তি। আজ শক্তি, প্রতিপত্তিকে হারিয়ে দিয়েছে। আগামী দিনে প্রত্যেক রাজ্যে এমনই হবে।”
রাহুল এ দিন আরও বলেন, “কর্নাটকের দরিদ্র মানুষের পাশে রয়েছে কংগ্রেস। তাঁদের সমস্যা নিয়েই লড়েছি আমরা। আমার সবথেকে ভাল লেগেছে একটি বিষয়, তা হল, আমরা ঘৃণা এবং কটু শব্দের ব্যবহার করিনি। বুকে ভালবাসা নিয়ে লড়াই করেছি। কর্নাটক দেখিয়ে দিল, এই দেশে ভালবাসার কদর রয়েছে আজও। কর্নাটকে ঘৃণার বাজার বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ভালবাসার দোকান খুলেছে। এটা সকলের জয়। কর্নাটকের মানুষের জয়। কর্নাটকবাসীকে পাঁচ দফা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম আমরা। মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই তা পূরণ হবে।”
উল্লেখ্য, ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’র সময়ই রাহুলের মুখে প্রথম শোনা গিয়েছিল, “নফরত কে বাজার মেঁ, মহব্বত কা দুকান খোলনে আয়া হুঁ।” তার সঙ্গে সাযুজ্য রেখেই এ দিন এমন মন্তব্য করলেন রাহুল। রাহুলের ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ও কর্নাটকে কংগ্রেসের এমন প্রত্যাবর্তনের পক্ষে সহায়ক হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কংগ্রেসও একবাক্যে মেনে নিয়েছে সে কথা।

