ক্রীড়া প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৬ এপ্রিল।। রেজিস্ট্রিকত সংস্থা, নাম ত্রিপুরা অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন। বৈধতা, অনুমোদন সব রয়েছে এই সংস্থার। অথচ ইন্ডিয়ান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের কাছে এই নামটি মুছে গেছে প্রায় ১০-১২ বছর আগে। বিশ্বস্ত সূত্রে খবর রয়েছে, তৎকালীন সময়ে এফিলিয়েশন ফি জমা করার যে বিষয়টা ছিল তা যেমন থামিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তেমনি ইন্ডিয়ান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার বিষয়টিও উবে গেছিল তখন। ঠিক এই সুযোগে
ত্রিপুরা থেকে নাম লিখিয়ে নিয়েছে ত্রিপুরা স্টেট অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন। দ্বন্দ্ব শুরু তখন থেকেই। নামে বেনামে বেশ কটি সংস্থার নাম জুগিয়ে অনৈতিক সংস্থা সারা দেশ জুড়ে একাধিক জাতীয় আসর গুলোতে ত্রিপুরার নাম ব্যবহার করে দীর্ঘদিন যে রাজ চালিয়েছে, এখন রাজ্যজুড়ে তারই বিরুদ্ধে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ সর্বত্র। ইতোমধ্যে এ নিয়ে অনেকে, এমনকি রাজ্য সরকারও আইন- আদালতের আশ্রয় নিয়েছে। আজ, রবিবার ত্রিপুরা অলিম্পিক এসোসিয়েশন বৈঠকে বসেছিল রাজ্যের ৩৪ টি ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তাদের নিয়ে। ৯৬ জন ক্রীড়া সংগঠক একযোগে, এক বাক্যে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন, বলতে চাইছেন ত্রিপুরার ক্রীড়া জগতকে বাঁচানোর লক্ষ্যে যেন তেন প্রকারেন ত্রিপুরা অলিম্পিক এসোসিয়েশনের অনুমোদন পুনর্বহাল করতে হবে। বাতিল করতে হবে অনৈতিক সংস্থাকে। সারা দেশজুড়ে জাতীয় আসরগুলোতে ত্রিপুরার প্রকৃত খেলোয়াড়দের স্থান করে নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে। বিকেলে সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে ত্রিপুরা অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তাবৃন্দ যথা চেয়ারম্যান রতন সাহা, সচিব সুজিত রায়, সহ সভাপতি স্বপন সাহা, বিশ্বেশ্বর নন্দী এছাড়া, চন্দন সেন, তাপস ভৌমিক, চন্দন দেব, লিটন রায় প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।