এবিভিপি-র জাতীয় সম্মেলন : জয়পুরে যুব ভারতের ক্ষুদ্র রূপ ফুটে উঠেছে

–অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের ৬৮তম জাতীয় সম্মেলনে ২৪টি প্রদেশের ১৫০০ জন প্রতিনিধির উপস্থিতি দেশের সংস্কৃতির পরিচয় দিচ্ছে

জয়পুর, ২৬ নভেম্বর (হি.স.): রাজস্থানের রাজধানী জয়পুরে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের ৬৮তম জাতীয় সম্মেলনে জড়ো হয়েছে ক্ষুদ্র যুব ভারতবর্ষ । এখানে দেশের ২৪টি প্রদেশের ১৫০০ তরুণ-তরুণীর উপস্থিতি দেশের সংস্কৃতির বৈচিত্র্যময় রূপের আভাস দিচ্ছে। বিভিন্ন প্রদেশের যুবকরা যখন তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকে একে অপরের সঙ্গে মিলিত হয়, তখন মনে হয় বিভিন্ন নদীর স্রোত সঙ্গম। উত্তর-পূর্ব থেকে রাজস্থান এবং কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত যুব প্রতিনিধিদের উপস্থিতি যুব ভারতের ক্ষুদ্র রূপ ফুটে উঠেছে।

আন্দামান থেকে আসা সীমা কুমারী বলেন যে, তিনি যখন বিভিন্ন প্রদেশের যুব প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করেন, তখন মনে হয় পুরো ভারত যেন একটি পরিবারের মত। সিকিম থেকে পার্বতী শর্মা যখন তার ঐতিহ্যবাহী নেপালি পোশাকে উপস্থিত হতে আসেন, তখন সেখানে উপস্থিত অন্যান্য যুবকদের পোশাকের অন্তর্ভুক্ত অলঙ্কারগুলির নাম জিজ্ঞাসা করতে দেখা যায়। পার্বতী বলেন, এখানে আসার পর মনে হয় পুরো ভারতটাই আমাদের পরিবার।

দক্ষিণ তামিলনাড়ুর এস সূর্য, কে মনোজ প্রভাকর, ভি গোপী গঙ্গাধরন, ভি গৌদাম, ঝাড়খণ্ডের সন্ধ্যা কুমারী, সিকিমের পার্বতী ওঝা, উত্তরবঙ্গের প্রনীষা পোখরাল, দেবগিরির (মহারাষ্ট্র) ভূমিকা, ঈশ্বরী সন্তোষ পাঠক, অরুণাচল প্রদেশের পেলি রিবা, তামে সিয়াং, আন্দামানের সীমা কুমারী ঝা, পাঞ্জাবের স্থানীয় বাসিন্দা এবং বর্তমানে লখনউয়ের বাসিন্দা সরদার হরপ্রীত সিং প্রমুখ। এই অধিবেশনকে সমগ্র ভারতের দর্শন হিসাবে বর্ণনা করে বলেন যে, এখানে শুধু নতুন বন্ধু তৈরি হচ্ছে না, আমাদের পরিবারও বাড়ছে।দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য শক্তিশালী হচ্ছে। এখানে তরুণরা একে অপরের বিভিন্ন খাবারে কী কী বিশেষত্ব রয়েছে তার তথ্যও সংগ্রহ করছেন। লক্ষণীয় যে, দেশের এই যুবশক্তি ‘জ্ঞান-নৈতিকতা-ঐক্য’-এর সংকল্পকে শক্তিশালী করতে কাজ করছে। রবিবার সম্মেলন শেষ হবে।