মোরবি, ৩১ অক্টোবর (হি.স.) : গুজরাটের মোরবির মচ্ছু নদীতে সেতু বিপর্যয়ে পরিবারের ১২জন সদস্যকে হারিয়েছেন রাজকোটের বিজেপি সাংসদ মোহনভাই কল্যানজি কুন্দরিয়া। তিনি জানিয়েছেন নিহতদের মধ্যে তাঁর বোনের পরিবারের ১২ জন সদস্য রয়েছেন। মৃতদের মধ্যে ৫ শিশু । ব্যক্তিগত বিপর্যয়ের মধ্যেও বিজেপি সাংসদ আস্বস্ত করেন, প্রশাসন যথাসাধ্য চেষ্টা করছে। নিহতদের পরিবার ও আহতদের সবরকম সাহায্য করা হবে।
কুন্দরিয়া দাবি করেন, তাঁর পরিবারের ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে মরবির ভয়ংকর ঘটনায়। বিজেপি সাংসদ বলেন, “আমি পরিবারের ১২ জনকে হারিয়েছি দুর্ঘটনায়। এর মধ্যে ৫ শিশু। যাদের হারিয়েছে, তারা আমার বোনের পরিবারের সদস্য।” এইসঙ্গে তিনি বলেন, তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। তিনি বলেন, এনডিআরএফ, এসডিআরএফ ও স্থানীয় প্রশাসন লাগাতার উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসাপাতালে পাঠানো হচ্ছে। পাশাপাশি মৃতদেহ উদ্ধারে রাত নৌকোর ব্যবহারে নদীতে অপরেশন চলছে।
রবিবার সন্ধেবেলা ব্রিজ ভেঙে পড়ার পরেই উদ্ধারকাজ শুরু করে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। সেই কাজে যোগ দেয় ভারতীয় সেনা। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন গুজরাটের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সোমবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, “প্রায় ২০০ জন ব্যক্তি উদ্ধারকাজে শামিল হয়েছেন। এখনও নদীতে নেমে খোঁজাখুঁজি চলছে। গোটা ঘটনায় ফৌজদারি মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।”
মোরবিতে এখনও উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। ড্রোন উড়িয়ে মৃতদেহ খোঁজার চেষ্টা করা হচ্ছে। ব্রিজের দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা সংস্থার বিরুদ্ধে গণহত্যার চেষ্টার অভিযোগে এফআইআর দায়ের করেছে গুজরাট পুলিশ। ইতিমধ্যেই ব্রিজ রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা সংস্থার ৯ জনকে আটক করা হয়েছে।