নিজস্ব প্রতিনিধি, তেলিয়ামুড়া, ১৩ অক্টোবর৷৷ অন্নদাতা কৃষকরা আজ বিপাকে৷ পঞ্চায়েতের দ্বারস্থ হয়েও নিরাশার গ্লানি কৃষকদের মুখে৷ বিপদমুখি পায়ে হাঁটার সেতুই একমাত্র ভরসা৷ ঘটনা তেলিয়ামুড়া আর ডি ব্লকের অধীনস্থ পশ্চিম হাওয়াইবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের পালপাড়া এলাকায়৷যারা রোদ বৃষ্টি ঝড়কে উপেক্ষা করে সমাজের জন্য খাদ্য সরবরাহ করে জীবনকে চলমান রেখেছেন তারাই আজ বিপাকে৷ প্রশাসন যেন তাদের প্রতি খেয়ালই নেই৷ কথা হচ্ছে ভগ্ণদশা মরণ ফাঁদে পরিণত পায়ে হাঁটার সেতু নিয়ে৷ তেলিয়ামুড়া আর ডি ব্লকের অধীন পশ্চিম হাওয়াইবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের পালপাড়া এলাকায় বসবাসকারী প্রত্যেকটি পরিবারেই কৃষিজ উৎপাদিত ফসল সামগ্রী বাজারে বিক্রি করে সংসারের প্রতিপালন৷ বর্তমানে ওই এলাকায় প্রায় শতাধিক কৃষক পরিবার রয়েছে৷ দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর ধরে ওই এলাকায় বসবাসকারী কৃষকরা জমিতে উৎপাদিত ফসল সামগ্রী বাজারজাত করতে হচ্ছে খুবই অসুবিধার মধ্য দিয়ে৷ কারণ ওই এলাকার কৃষকদের যেখানে জমি রয়েছে সেখানে যেতে গেলে কিংবা কৃষিজ ফসল বাজারজাত করতে গেলে ভরসা এই পায়ে হাঁটার সেতুটি৷ উল্লেখ্য, বিগত ২০১০ সালে কৃষকদের দাবি অনুযায়ী তৎকালীন প্রশাসন একটি পায়ে হাঁটার সেতু নির্মাণ করে৷ ২০১০ সালের পর থেকে এলাকার কৃষকরা অতি সহজেই কৃষিজ ফসল সহ গবাদি পশুদের অনায়াসে চলাচল করা যেত৷ অভিযোগ, দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর পূর্ব ধরে চলাচলের একমাত্র পায়ে হাঁটার সেতুটি মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে৷ বর্তমানে যা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে৷ সেতুটি মরণফাঁদের পরিণত হওয়ার বিষয়ে এক কৃষক অভিযোগ করে জানান, বর্তমানে এ সেতুর উপর দিয়ে সবজি ভর্তি খাঁচা মাথায় নিয়ে চলাচলে খুবই দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ ভগ্ণদশা সেতুর উপর দিয়ে চলাচলে বিপদমুখী৷ বিশেষ করে গবাদি পশুদের চলাচলে প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হচ্ছে৷ ভগ্ণদশা সেতুটি সারাই করার বিষয় নিয়ে পশ্চিম হাওয়াই বাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতে বার কয়েক আবেদন নিবেদন জানিয়ে থাকলেও কোন অজ্ঞাত কারণে ব্যবস্থা নিচ্ছে না সংশ্লিষ্ট দপ্তর৷ এখন দেখার বিষয় দেড় বছর পূর্বে মরণ ফাঁদে পরিণত হওয়া পায়ে হাঁটার সেতুটি সংস্কারের কাজে হাত লাগাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর কি ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন৷ সেটি এখন লাখ টাকার প্রশ্ণ৷
2022-10-13