আগরতলা, ১৫ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : সমৃদ্ধ ত্রিপুরা গড়ে তুলতে রাজ্যের ইঞ্জিনিয়াররা আগামী দিনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবেন। ৫৫তম ইঞ্জিনিয়ার্স ডে উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে একথা বলেন ত্রিপুরার পানীয়জল ও স্বাস্থ্যবিধান মন্ত্ৰী সুশান্ত চৌধুরী।
সারাদিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ রাজ্যে ৫৫তম ইঞ্জিনিয়ার্স ডে পালিত হয়েছে। সকালবেলা রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবন প্রাঙ্গণ থেকে প্রভাতফেরির মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা করা হয়। পূর্ত দপ্তর এবং দ্যা ইনস্টিটিউশান অফ ইঞ্জিনিয়ার্স এর ত্রিপুরা শাখার উদ্যোগে এবং অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ারিং সংস্থার সহায়তায় আয়োজিত প্রভাতফেরি অনুষ্ঠানের সূচনা করেন পানীয়জল ও স্বাস্থ্যবিধান মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। প্রভাতফেরি রবীন্দ্র ভবন থেকে শুরু হয়ে আর এম এস চৌমুহনী, পোষ্ট অফিস চৌমুহনী এবং কামান চৌমুহনী ও দুর্গাবাড়ি হয়ে পুনরায় রবীন্দ্র ভবনে এসে শেষ হয়।
পরে ইঞ্জিনিয়ার্স ডে পালনের তাৎপর্য আলোচনা করতে গিয়ে পানীয়জল ও স্বাস্থ্যবিধান মন্ত্রী বলেন, রাজ্য ও দেশের পরিকাঠামোগত উন্নয়নে ইঞ্জিনিয়ার্সদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। দেশের সর্বশ্রেষ্ঠ ইঞ্জিনিয়ার ভারত রত্ন স্যার এম বিশ্বেশ্বরাইয়ার জন্ম দিবস পালনের মধ্য দিয়ে দেশ গঠনে ইঞ্জিনিয়ার্সদের ভূমিকার স্মরণ করা হয়। তিনি আশা প্রকাশ করেন সমৃদ্ধ ত্রিপুরা গড়ে তুলতে রাজ্যের ইঞ্জিনিয়াররা আগামী দিনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবেন।
সকাল ১০টায় গোর্খাবস্তিস্থিত ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স বিল্ডিংয়ে এই উপলক্ষে এক রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হয়। শিবিরের উদ্বোধন করে আগরতলা পুরনিগমের মেয়র দীপক মজুমদার বলেন, স্বাধীনোত্তর কালে ভারতবর্ষের পরিকাঠামোগত বিকাশে ভারত রত্ন স্যার এম বিশ্বেশ্বরাইয়া এক অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করে গেছেন। দেশ গঠনে তাঁর এই ভূমিকা আগামী প্রজন্মের কাছে উদ্বুদ্ধ করার জন্যই এই ধরণের কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
রক্তদান সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে মেয়র শ্রী মজুমদার আরও বলেন, রক্তের বিকল্প আবিষ্কার করা এখনো সম্ভব হয়নি। তাই রক্তদানের উপরেই মুমুর্ষ রোগীদের ভরসা রাখতে হয়। তিনি রাজ্যবাসীর কাছে রক্তদানে আরও এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ জানান। আজকের এই শিবিরে মোট ২১ জন রক্তদান করেন।