আত্মনির্ভর ত্রিপুরা গড়ে তুলতে হলে রাজ্যের উন্নয়নের ইতিহাসও থাকা উচিত : উপমুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ৩০ আগস্ট (হি. স.) : প্রত্যেক রাজ্যেরই রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ইতিহাসের পাশাপাশি উন্নয়নের ইতিহাসও থাকা প্রয়োজন। বর্তমান সরকার ত্রিপুরার উন্নয়নের প্রকৃত তথ্যসমৃদ্ধ ইতিহাস জনগণের কাছে তুলে ধরার প্রয়াস নিয়েছে। আজ সচিবালয়ের প্রেস কনফারেন্স হলে ১৯৪৯ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রের উন্নয়ন নিয়ে ‘গ্লিসেস অব ত্রিপুরাস ডেভেলপমেন্ট সিন্স ১৯৪৯’ শীর্ষক কফি টেবিল বুকের আবরণ উন্মোচন করে উপ মুখ্যমন্ত্রী জিষ্ণু দেববর্মা একথা বলেন। রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা ও সমন্বয় দপ্তর থেকে এই কফি টেবিল বইটি প্রকাশ করা হয়েছে।

এদিন উপমুখ্যমন্ত্রী বলেন, ত্রিপুরা এবছর পূর্ণরাজ্য প্রাপ্তির ৫০ বছর পালন করেছে। পূর্ণরাজ্য দিবসের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে রাজ্য সরকার ১৯৪৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রের উন্নয়ন নিয়ে বই প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করে। এই বইটিতে ১৯৪৯ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত রাজ্য সরকার যে সমস্ত ক্ষেত্রে উন্নয়ন করেছে তার প্রকৃত তথ্য ছবি সহ তুলে ধরার প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছে। সবার সহযোগিতা নিয়েই এই কাজটি করা হয়েছে।

তাঁর কথায়, যেকোনো বিষয়েরই সঠিক ও প্রকৃত তথ্য থাকা দরকার। কারণ সঠিক ও প্রকৃত তথ্য না থাকলে ইতিহাস জানা সম্ভব নয়। তাঁর মতে, আত্মনির্ভর ত্রিপুরা গড়ে তুলতে হলে ত্রিপুরার উন্নয়নের ইতিহাসও থাকা উচিত। ১৯৪৯ সালে ত্রিপুরা কেমন ছিল, বর্তমানে কি অবস্থায় রয়েছে এবং ভবিষ্যতে ত্রিপুরার অবস্থান কেমন হবে তার সঠিক তথ্য জনগণের জানা প্রয়োজন, বলেন তিনি।সাথে তিনি যোগ করেন, সঠিক তথ্যের মাধ্যমেই জনগণ ত্রিপুরার উন্নয়নের ইতিহাস জানতে পারবেন। বর্তমান ত্রিপুরা সরকার সবকা সাথ সবকা বিকাশ এবং সবকা প্রয়াস মূলমন্ত্রকে পাথেয় করে প্রতিটি ক্ষেত্রের সার্বিক উন্নয়নের উপর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।