নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৩০ জুলাই৷৷ হিন্দু বাঙ্গালীদের বারো মাসে তেরো পার্বণ৷ এরমধ্যে মনসা পূজা, বিশ্বকর্মা পূজা এবং দুর্গাপূজা অন্যতম৷ এখন থেকেই পুরোদমে শুরু হয়ে গেছে পুজোর প্রস্তুতি৷ সামনেই মা মনসা পূজা৷ তারপর বিশ্বকর্মা৷ এরপর শুরু দুর্গা পূজার কাউডাউন৷ কমলপুরের ফুলছড়ি কুমাড় পাড়ায় মৃৎশিল্পীরা পুরোদমে ব্যস্ত প্রতিমা তৈরীর কাজে৷ একদিকে মা মনসা পূজা, বিশ্বকর্মা পূজা, অন্যদিকে দূর্গা পূজা৷ যার দরুন সম্পূর্ন ভাবে প্রতিমা তৈরীর কাজে ব্যস্ত কমলপুর ফুলছড়ির কুমাড় পাড়ার মৃৎশিল্পীরা৷ গত দুবছর আগে করোনার অতিমারির দরুন পূজা পার্বন অনেক কম হওয়ার কারনে মৃৎশিল্পীদের প্রতিমার ব্যবসা হয়নি৷ ওই সময় তাদের অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে৷ সেই ক্ষতি তুলে আনার জন্য এবার মৃৎশিল্পীরা অন্যান্য বছর তুলনায় বেশি প্রতিমা তৈরীর কাজে হাত দেন৷ ফুলছড়ি কুমার পাড়ার মৃৎশিল্পী রাজীব ভট্টাচার্য্য এবার মা মনষার প্রতিমা তৈরী করেন ৬০ টি৷ বিশ্বকর্মা তৈরী করেন ৩২ টি৷ দূর্গা প্রতিমা তৈরী করেন ১৫ টি৷ এখন পর্যন্ত দূর্গা প্রতিমা ৭টি ক্লাব বায়না করেছে৷ বাকি প্রতিমা গুলি বায়না হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন৷ উনার ৬জন কর্মচারী সকাল বিকাল কাজে লিপ্ত৷ এবিষয়ে মৃৎশিল্পী রাজীব ভট্টাচার্য্যের কাছে জানতে গেলে তিনি বলেন, এবছর পূজার সংখ্যা বাড়বে বলেই তাদের ধারণা৷ সেই প্রত্যাশা নিয়েই অন্যান্য প্রচারের তুলনায় এবছর মূর্তি তৈরীর কাজ চলেছে দ্রুতগতিতে৷ শ্রাবণ মাস শুরু হতেই গ্রাম ত্রিপুরায় শুরু হয়ে গেছে মনসামঙ্গল পুথি পড়ার ধুম৷ সারা মাসব্যাপী চলবে এই পুথি পড়ার প্রক্রিয়া৷ দেবী মনসার পূজা সম্পূর্ণ করার মধ্য দিয়েই শেষ হবে এই পুথি পড়ার কাজ৷
2022-07-30