Arrested : নেশা কারবারে জড়িত পুলিশ ইনস্পেক্টর সহ গ্রেপ্তার তিন

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৩ মে৷৷ রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব নেশামুক্ত ত্রিপুরা গড়ার ডাক দিয়েছিলেন ২০১৮ সালে৷ তারপর থেকেই শুরু হয় বিভিন্ন জায়গায় নেশা বিরোধী অভিযান৷ কিন্তু দীর্ঘ চার বছরেরও বেশি সময় ধরে নেশা মুক্ত ত্রিপুরা গড়া সম্ভব হয়নি৷ যদিও নেশা বাণিজ্যে কিছুটা রাশ টানা সম্ভব হয়েছে৷ তবে সমূলে এই নেশা বাণিজ্যকে কেন স্থগিত করা যাচ্ছে না সেটাই প্রশ্ণ ছিল সাধারণ জনগণ থেকে শুরু করে শুভবুদ্ধি সম্পন্ন নাগরিকদের মধ্যে৷


তবে এবার এই নেশার বাণিজ্যে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য৷ নেশা বিরোধী অভিযানে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারাই নাকি নেশা কারবারের মাস্টারমাইন্ড৷ যে জনগণকে রক্ষা করার কথা পুলিশ প্রশাসনের এবার সেই পুলিশেরই এক ইন্সপেক্টর সাধারণ জনগণের কাছে নেশা বাণিজ্যের জন্য গণধোলাই খেলো৷ বলা চলে, কলঙ্কিত রাজ্য পুলিশ! ফেন্সিডিল পাচারের সময় গণধোলাই খেল পুলিশ ইন্সপেক্টর৷ ফেন্সিডিল পাচারকারী পুলিশ ইন্সপেক্টরের নাম সুরেশ দেববর্মা৷

জানা যায়, রবিবার গভীর রাতে তাকে ফেন্সিডিল সহ আটক করে শ্রীনগর থানাধীন গার্বদি এলাকাবাসী৷ তার সাথে আরও ২ জনকে আটক করতে সক্ষম হয় এলাকাবাসীরা৷ বাকী দুজন প্রদ্যোৎ রূপিণী এবং বীরেন্দ্র দেববর্মা৷ পরে এলাকাবাসী ৩ জনকে গণধোলাই দিয়ে শ্রীনগর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়৷ অভিযুক্ত ইন্সপেক্টর সুরেশ দের্ববমার বাড়ি জারুলবাচাই এলাকায়৷ ধৃত পুলিশ অফিসার সহ তিনজনের বিরুদ্ধে এন ডি পি এস ধারায় মামলা হাতে নিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানান এস ডি পি ও৷

পুলিশের ধারণা অভিযুক্ত তিনজনের সাথে আরো অনেকেই জড়িত রয়েছে৷ এতে রী তি মতো চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়৷ তবে নেশার পাচার কাণ্ডে যদি প্রশাসনের একাংশই যুক্ত থাকে তবে নেশা মুক্ত ত্রিপুরা গড়ার স্বপ্ণ অধরাই থেকে যাবে৷ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা প্রশাসনের ভেতরে থাকা সেই সকল মুখোশধারীদের চিহ্ণিত করুক৷ দাবি উঠেছে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে৷