আগরতলা, ৯ মে (হি. স.) : মিজোরাম পুলিশে কর্মরত জওয়ানের মৃতদেহ ত্রিপুরায় উদ্ধার হয়েছে। তাতে, দুই রাজ্যের পুলিশই ওই জওয়ানের মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশার মধ্যে রয়েছে। মিজোরাম পুলিশে কর্মরত ইন্ডিয়ান রিজার্ভ পুলিশ ৪ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের কনস্টেবল এইচ ভানলাল পারা(৪৩)-র মৃতদেহ রবিবার বিকেলে উত্তর ত্রিপুরা জেলায় পানিসাগর মহকুমার অন্তর্গত দামছড়া ব্লকের খেদাছড়া থানাধীন বাহাদুর পাড়া এলাকায় লঙ্গাই নদীর পারে উদ্ধার হয়েছে। আজ ময়না তদন্তের পর মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মিজোরামের রাজধানী আইজলের রামলুই ভেঙ্গতাস এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি মামিথ জেলায় চাভেল বিওপি-তে কর্মরত ছিলেন। শনিবার বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে ছুটি নিয়ে বিওপি থেকে বের হয়েছিলেন। তারপর তার হদিস পাওয়া যায়নি। পুলিশের বক্তব্য, রবিবার বিকেলে খেদাছড়ার পাহাড়ে স্থানীয় কিছু মানুষ সব্জি সংগ্রহে গিয়ে তাঁর মৃতদেহ দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে মৃতদেহ সনাক্ত করে পানিসাগর মহকুমা অধিকারিককে অবগত করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহের পাশে কিছু নেশা সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে। তাই, পুলিশের প্রাথমিক অনুমান অত্যাধিক নেশগ্রস্ত হওয়ার কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই সময় সাদা পোশাকে ছিলেন। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে পানিসাগর হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়ে দিয়েছিল। আজ ময়না তদন্তের পর সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া শেষে মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছে ত্রিপুরা পুলিশ। ওই সমস্য উপস্থিত ছিলেন পানিসাগর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সৌভিক দে, মিজোরাম পুলিশের অ্যাসিস্টেন্ট কমান্ডেন্ট এফ লালনিলিআনা এবং খেদাছড়া থানার ওসি ইন্সপেক্টর ধীরাজ দেববর্মা সহ তদন্তকারি পুলিশ আধিকারিক সাব ইন্সপেক্টর শচীন্দ্র রিয়াং।এদিকে, ওই পুলিশ কর্মী সীমান্ত ডিঙ্গিয়ে ত্রিপুরায় কিভাবে এসেছেন, সেই প্রশ্ন জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে। ত্রিপুরা ও মিজোরাম পুলিশ তাঁর মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।