নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৯ জুন।। রাজ্যের চুরি ছিনতাইয়ের ঘটনা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। তবে রাত্রিকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে মানুষের মনে আতঙ্ক ক্রমশ বাড়ছে। আমতলী এবং বিশালগড় থানা এলাকায় গত কিছুদিন ধরে চুরির ঘটনা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। নিশিকুটুম্বদের বাড়বাড়ন্ত কোনভাবেই ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না ।আমতলী থানার পুলিশের ভূমিকা ঘিরে জনমনে নানা প্রশ্ন উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে। রাতের আঁধার নেমে এলেই ধারালো অস্ত্রসহ নিয়ে মাঠে নেমে পড়ে চোর ছিনতাইবাজরা।
কখনো স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই, কখনো মোবাইল ফোন ছিনতাই, কখনোবা নগদ টাকা, আবার কখনো মানুষের বাড়িঘর থেকে গবাদিপশু চুরি করে নিয়ে যায়। ডুকলি আর ডি ব্লক এলকায় চুরি ছিনতাই এখন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে সেকেরকোট সবুজ সংঘ এলাকার শ্যামল ঘোষের বাড়িতে। জানা যায়, অন্যান্য দিনের মত মঙ্গলবার রাতেও বাড়ির লোকজন গাভী গুলিকে খাবার খাইয়ে ঘরে বেঁধে ঘুমাতে যায়। বুধবার ভোর 3 টা 30 মিনিট নাগাদ বাইরে বের হয়ে দেখেন গোয়াল ঘরের দরজা ভাঙ্গা ।
এরপর ঘরে গিয়ে দেখেন দুটি গাভী ঘরে নেই। পরে পার্শ্ববর্তী এলাকায় খোজ খবর নেন। কিন্তু কোথাও গরুগুলোর কোন খোঁজ মেলেনি। গাভী গুলির বাজার মূল্য ২ লক্ষ টাকা হবে বলে জানান শ্যামল ঘোষ। হত দরিদ্র এই পরিবারটির আয়ের মূল উৎস এই গাভী গুলি। সাধারণ জনগণের অভিযোগ যদি এই ধরনের ” চুরির” ঘটনা ঘটে তাহলে গ্রামাঞ্চল গুলোর নৈশকালীন নিরাপত্তা নিরাপত্তা নিয়ে আরও অসহায় হয়ে পড়বেন গ্রামীণ এলাকার মানুষ। রাজ্যের প্রত্যেকটি থানায় বিট পেট্রোলিং এর জন্য যে বাইক গুলি দেওয়া হয়েছেে তার সঠিক ব্যবহার হচ্ছে কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিচ্ছে। অভিযোগ, পুলিশ যদি এই বাইক গুলির যথাযথ ব্যবহার করে তবে নৈশকালীন অপরাধের ঘটনা অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে। বিশালগড় এর বিভিন্ন এলাকায় নিশিকুটুম্বদের তৎপরতা রুখতে থানার কঠোর পদক্ষেপের দাবি তুলেছে সাধারণ মানুষ জন।

