রাজ্যের সরকারি শিক্ষক-কর্মচারী পেনশনারসরা পেলেন ৩ শতাংশ মহার্ঘ্যভাতা, অতিরিক্ত ব্যয় হবে ৩২০ কোটি টাকা

আগরতলা, ২৫ ফেব্রুয়ারি (হি.স.)৷৷ ত্রিপুরা সরকারি কর্মচারী ও পেনশনারসদের মহার্ঘ্যভাতা উপহার দিল রাজ্য সরকার৷ আজ বৃহস্পতিবার ত্রিপুরা মন্ত্রিসভা সরকারি শিক্ষক-কর্মচারী ও পেনশনারসদের ৩ শতাংশ মহার্ঘ্যভাতা প্রদানে অনুমোদন দিয়েছে৷ ১ মার্চ থেকে তাঁরা মহার্ঘ্যভাতা পাবেন৷ তাতে ত্রিপুরা সরকারের অতিরিক্ত খরচ হবে ৩২০ কোটি টাকা৷


প্রসঙ্গত, ত্রিপুরায় সরকার পরিবর্তন হওয়ার পর সরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের সপ্তম বেতনক্রম দেওয়া হয়েছে৷ তবে, ২০১৮ সাল থেকে সরকারি কর্মচারীরা মহার্ঘ্যভাতা পাননি৷ এক্ষেত্রে অবশ্যই ত্রিপুরার অর্থনৈতিক অবস্থা দায়ী, তা অস্বীকার করার কোনও সুযোগ নেই৷ পূর্বতন সরকার প্রচুর আর্থিক বোঝা রেখে গেছে৷ ফলে, দৈনন্দিন খরচ বহন করে সরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের মহার্ঘ্য ভাতা দেওয়া সম্ভব হয়নি৷


আজ ত্রিপুরা মন্ত্রিসভা ৩ শতাংশ মহার্ঘ্য ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিয়েছে৷ আগামী ১ মার্চ থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে সচিবালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ৷ তাঁর কথায়, ত্রিপুরায় ১ লক্ষ ১০ হাজার ৫১৭ জন নিয়মিত শিক্ষক-কর্মচারী এবং পেনশনার্স রয়েছেন ৬৭,৮০৯ জন৷ এছাড়া ডিআরডাব্লিউ, স্থির বেতন ইত্যাদি মিলিয়ে আরও রয়েছেন ১২ হাজার ১৭৮ জন৷ তিনি বলেন, ২০১৮ সালের ১ অক্টোবর ত্রিপুরায় নয়া বেতনক্রম লাগু হয়েছে৷ কিন্তু আর্থিক অসঙ্গতির কারণে মহার্ঘ্যভাতা দেওয়া সম্ভব হয়নি৷ তাঁর দাবি, করোনাকালে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া দেশের কোনও রাজ্য মহার্ঘ্য ভাতা দিতে পারেনি৷

এদিন তিনি জানান, শিক্ষক-কর্মচারী এবং পেনশনারসদের মহার্ঘ্যভাতা দিতে অতিরিক্ত ৩২০ কোটি টাকার প্রয়োজন৷ তাতে শুধু মার্চের জন্য ২৪ কোটি ৬১ লক্ষ টাকা এবং ২০২১-২২ অর্থ বছরের জন্য ২৯৫ কোটি ৩৯ লক্ষ টাকা সরকারি কোষাগার থেকে অতিরক্ত ব্যয় হবে৷ পেনশনার্স রয়েছন ৬৭৮০৯ জন৷