শাশুড়িকে মারধর করে হাত ভেঙ্গে দিল পুত্রবধূ

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২১ ফেব্রুয়ারি৷৷ পুত্রবধুর হাতে আক্রান্ত শাশুড়ি৷ থানায় মামলা৷ ঘটনা কমলাসাগর বিধানসভা আমতলী থানা দিন পুণ্য গ্রাম এলাকায়৷ আক্রান্ত শাশুড়ির নাম কণা দাস৷ বয়স ৯৫ স্বামীর নাম মৃত অবনী মোহন দাস বাড়ি পূর্ণ গ্রাম এলাকায়৷


ঘটনার বিবরণে জানা যায় গত ১৫ বছর পূর্বে কনা দাসের স্বামী মারা যায়৷ তারপরে কণা দাস তার স্বামীর যত সম্পত্তি ছিল সম্পূর্ণ সম্প্রতি তার দুই ছেলের নামে করে দেয়৷ কিন্তু তার মধ্যে তার এক ছেলে মারা যায়৷পরে কণা দাস তার অপর ছেলে বিমল দাসের বাড়িতে চলে আসে পূর্ণ গ্রাম এলাকায়৷আর সেখানে আসার পর থেকেই বিমল দাস এর স্ত্রী অর্থাৎ তার পুত্রবধু শিখা দাস অনর্বত তার শ্বাশুড়ীকে মারধোর করে যাচ্ছে৷ কেন সে বাড়িতে চলে এসেছে৷ তা নিয়ে দফায় দফায় সালিশি সভায় এলাকার মধ্যে তাতেও ক্ষান্ত থাকেনি পুত্রবধূ শিখা দাস৷ শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে কণা দাস চলে যায় তার মেয়ের বাড়িতে৷

অবশেষে রবিবার বিকেল বেলা পূর্ণ গ্রাম এলাকায় পুনরায় আসতেই তার ছেলের বাড়িতে বেধড়ক মারধর করে পুত্রবধূ শিখা দাস৷ তার একটি হাত পুরোপুরি ভেঙ্গে দেয়৷শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে গলায় আঘাত করলে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে৷ পরবর্তী সময়ে কনা দাস বাধ্য হয়ে আমতলী থানা মামলা দায়ের করে পুত্রবধূর শিখা দার্সে বিরুদ্ধে৷
শাশুড়ি কনা দাসের আরও অভিযোগ তার নাতি বিশ্বজিৎ দাসও তার ওপর আক্রমণ চালায়৷এখন প্রশ্ণ হল ৯৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা মহিলাকে কিভাবে তার ছেলের সামনে তার স্ত্রী এবং পুত্র মারধোর করে তা নিয়ে প্রশ্ণ উঠতে শুরু করেছে৷ যদিও গোটা এলাকায় সে পরিবারের প্রতি ক্ষুব্ধ জনগণ সকলেই বিমল দাস এবং তার স্ত্রী এবং পুত্রে বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছে৷