নয়াদিল্লি, ৩ জানুয়ারি (হি. স.): জরুরী পরিস্থিতিতে নির্দিষ্ট ও সীমিত ব্যবহারের জন্য সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া এবং ভারত বায়োটেকের করোনা প্রতিষেধককে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
রবিবার নিজের টুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, অনুপ্রেরণাদায়ক লড়াইকে শক্তিশালী করতে নির্ণায়ক বাঁকে এসে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্যকর এবং করোনা মুক্ত রাষ্ট্র নির্মাণের লক্ষ্যে সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া, ভারত বায়োটেকের প্রতিষেধককে ছাড়পত্র দিয়েছে ডি সি জি আই। ভারতকে অভিনন্দন। আমাদের পরিশ্রমী বৈজ্ঞানিক এবং উদ্ভাবনকারীদের অনেক বেশি অভিনন্দন। প্রতিটি ভারতীয়ের জন্য এটি অত্যন্ত গর্বের বিষয় যে স্বদেশে নির্মিত এই দুই প্রতিষেধককে ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। আত্মনির্ভর ভারত গড়ার লক্ষ্যে বৈজ্ঞানিকদের অঙ্গীকারের পরিচয় বহন করছে এই সাফল্য। সেবা এবং ভালোবাসা মূল গুড়ির মধ্যে এই সাফল্য নিহিত।
বৈজ্ঞানিকদের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মী ও ফ্রন্ট লাইন ওয়ারিয়রদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি জানিয়েছেন, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, বৈজ্ঞানিক, পুলিশ আধিকারিক, সাফাই কর্মী এবং অন্যান্য করোনা যোদ্ধাদের অসাধারণ কর্মের প্রতি কৃতজ্ঞতা ব্যক্ত করি। এমন তীব্র প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তারা বহু মানুষের জীবনকে বাঁচিয়েছেন। দেশ চিরকাল আন্তরিকভাবে এদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজের টুইট বার্তায় লিখেছেন, এক যুগান্তকারী সাফল্য ভারত পেয়েছে। সেরাম ইনস্টিটিউট এবং ভারত বায়োটেকের প্রতিষেধককে ছাড়পত্র দিয়েছে ডি সি জি আই। ভারতকে গৌরবান্বিত করার জন্য পরিশ্রম এবং প্রতিভাবান বৈজ্ঞানিকদের কুর্নিশ জানাই। করোনা মুক্ত ভারতের পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতিও কৃতজ্ঞতা ব্যক্ত করি। দেশের বৈজ্ঞানিক, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, নিরাপত্তা রক্ষী এবং অন্যান্য করোনা যোদ্ধাদের কুর্নিশ জানাই যারা নিরন্তন মানবিকতার প্রতি সেবা বর্ধন করে এসেছে। দেশ চিরকাল তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবে। তাদের সর্ব ত্যাগী সেবা মানুষ মনে রাখবে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রতি কৃতজ্ঞতা ব্যক্ত করতে গিয়ে অমিত শাহ নিজের টুইট বার্তায় লিখেছেন, দূরদৃষ্টি সম্পন্ন নেতৃত্ব অনেক সময় পার্থক্য গড়ে দেয়। সময়ের চাহিদা মেনে একাধিকবার এর সাক্ষী আমরা থেকেছি। সঙ্কটের মধ্যে উদ্ভাবন করে মানবিকতাকে সেবা করে যেতে চায় নতুন ভারত। ভারতে নির্মিত এই প্রতিষেধক গেম চেঞ্জার হয়ে উঠে আসতে পারে। প্রধানমন্ত্রী আত্মনির্ভর ভারতকে শক্তি জোগাবে এই উদ্যোগ।

