চাকুরী প্রদান নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের স্পষ্টিকরণ চাইল বাম ও কংগ্রেসের যুব সংগঠন

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৬ ডিসেম্বর৷৷ মুখ্যমন্ত্রী গত ১৫ থেকে ২০ দিন পূর্বে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জানান রাজ্যে বিজেপি আইপিএফটি সরকারের ৩৩ মাসে ১৮ হাজার সরকারি চাকরি হয়েছে৷ পরবর্তী সময় ডিওয়াইএফআই পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছিল সেই চাকরির পরিসংখ্যানের তথ্য তুলে ধরার জন্য৷ পরবর্তী সময় পুনরায় মুখ্যমন্ত্রীর দাবি করেন ২৩ হাজার ১ জনের চাকরি হয়েছে বর্তমান সরকারের আমলে৷


গত ৫ ডিসেম্বর পুনরায় দাবি করেন রাজ্যে ৯৫ হাজার ৩৮৫ জনের রোজগার মিলেছে রাজ্যে৷ এই এ ধরনের বক্তব্যের জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে স্পষ্টীকরণ দেওয়ার জরুরি৷ এ ধরনের বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা৷ রবিবার ডিওয়াইএফআই এবং টি ওয়াই এফ সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনটাই দাবি করেন ডিওয়াইএফআই রাজ্য সভাপতি নবারুণ দেব৷ তিনি আরো জানান, রাজ্যে গত জানুয়ারি মাস পর্যন্ত যে তথ্য রয়েছে তাতে দেখা যায় ২ হাজার ৪৭ জনের চাকরি হয়েছে রাজ্যে৷

দেশের একটি সংস্থা দ্বারা তথ্য উঠে আসে বর্তমানে দেশে ৬.৫১ শতাংশ বেকার রয়েছে৷ রাজ্যে বেকার এর দ্বিগুণ ১৩.১ শতাংশ৷ রাজ্যে বেকারত্বের সংখ্যা ক্রমশই বেড়ে চলেছে৷ প্রশাসনিক দপ্তর গুলিতে কর্মী সংকট দেখা দিয়েছে৷ উপরন্তু মুখ্যমন্ত্রীর এ ধরনের অপপ্রচারে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে৷ তাই মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্যের স্পষ্টীকরণ তুলে ধরা দাবি জানান সরকারের কাছে৷ পাশাপাশি আগামী ৮ ডিসেম্বর কৃষকরা যে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে, সে ধর্মঘটে পুরোপুরি সমর্থন করবে ডিওয়াইএফআই এবং টি ওয়াই এফ বলে জানান৷


এদিকে, মুখ্যমন্ত্রী বেকারদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে৷ ৯৬ হাজার চাকরি হয়েছে বলে দাবি করছে মুখ্যমন্ত্রী৷ এ ধরনের তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা৷ প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে প্রদেশ যুব কংগ্রেসের বৈঠকের পর এ কথা জানান প্রবেশ যুব কংগ্রেস সভাপতি পুজন বিশ্বাস৷তিনি বলেন, রবিবার প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে রবিবার যুব জেলার কংগ্রেস সভাপতি এবং যুব জেলা কংগ্রেস সভাপতিদের নিয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়৷ বৈঠকে আলোচনা হয় আসন্ন পুর নিগম নির্বাচন এবং এডিসি নির্বাচনে দলের যুব কর্মীদের কি ভূমিকা থাকবে৷ এবং কিভাবে রণকৌশল সাজাতে হবে সে বিষয়ে আলোচনা হয় বলে জানান তিনি৷ যাতে করে আগামী দিনে রাজ্যে যুব কংগ্রেস দ্বারা দল মজবুত হতে পারে৷