ধর্ষণের মিথ্যা মামলা : অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ১৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ আদালতের

চেন্নাই, ২১ নভেম্বর(হি.স.): ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মিথ্যা মামলার ঘটনায় অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে ১৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ । সাত বছর আগে চেন্নাইয়ের ওই ঘটনায় শনিবার চেন্নাইয়ের একটি আদালত নির্দোষ অভিযুক্ত ব্যক্তিকেই ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেয় । ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের সময় সন্তোষ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্র ছিলেন।

২০০৯ সালের শেষ পর্বে ইঞ্জিনিয়ারিং-এর এক ছাত্রের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করে এক মহিলা। অভিযোগকারিণী এবং তাঁর পরিবারের সদস্যেরা পুলিশ এবং আদালতকে জানান, এই ধর্ষণ করার ফলেই তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন। এক সন্তানেরও জন্ম দেন অভিযোগকারিণী। ওই ঘটনায় অভিযোগ দায়েরের পরেই পুলিশ ওই ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ছাত্রকে গ্রেফতার করেছিল। ৯৫ দিন পরে ২০১০-এর ফেব্রুয়ারিতে তিনি জামিনে মুক্তি পান। সেক্রেটারিয়েট কলোনি থানার তদন্তকারী পুলিশ ইনস্পেক্টরও চার্জশিটে ওই ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ছাত্রকে ‘দোষী’ হিসেবে চিহ্নিত করেন। কিন্তু ডিএনএ পরীক্ষায় জানা যায়, অভিযুক্ত ওই সন্তানের পিতা নন। ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট মেলার পরে ২০১৬ সালে চেন্নাইয়ের মহিলা আদালত ধর্ষণের মিথ্যা মামলা থেকে তাকে মুক্তি দেন। কিন্তু তত দিনে সাত বছর পেরিয়ে গিয়েছে।

এরপরই  ওই অভিযুক্ত আদালতে মানহানি এবং ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করেন। জানান, ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার ফলে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের ক্ষতি হয়েছে। নষ্ট হয়েছে কেরিয়ার। নিজেকে আদালতে নির্দোষ সাব্যস্ত করতে প্রায় ২ লক্ষ টাকা খরচও হয়ে গিয়েছে। এ জন্য মোট ৩০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা দায়ের করেন তিনি। সেই মামলায় চেন্নাইয়ের একটি আদালত ওই ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ছাত্রকে ১৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার রায় ঘোষণা করে জানিয়েছে, অভিযোগকারিণী, তাঁর পরিবার এবং সেক্রেটারিয়েট কলোনি থানার তদন্তকারী পুলিশ ইনস্পেক্টরের থেকে ওই টাকা আদায় করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *