নিজস্ব প্রতিনিধি, উদয়পুর, ৬ নভেম্বর৷৷ পণের টাকা চেয়ে স্ত্রীকে মারধর ও প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা,৷ ঘটনা আর কে পুর থানাধীন গর্জি আউট পোষ্টের অন্তর্গত উত্তর কালাবনে৷ খবরে প্রকাশ, গত এক যুগ বারো বছর আগে উদয়পুর ১ নং ফুলকুমারী নিবাসী প্রদীপ পাল হিন্দু ধর্মীয় শাস্ত্রে নগদ অর্থ ৩৫ হাজার টাকা নগদ পণ সহ আসবাসপত্র দিয়ে মেয়েকে বিয়ে দেন উত্তর কালাবনের নারায়ণ পালের ছেলে প্রদীপ পালের সহিত৷
প্রদীপ পাল গর্জি ফাঁড়ি থানার অন্তর্গত দাতারাম পুলিশ ক্যাম্পে এসপিও পদে কর্মরত রয়েছে৷ বিয়ের এক বছর পর থেকেই শাশুড়ি শশুর এবং জামাই মিলিতভাবে প্রতিনিয়ত মারধর করতো পণের দাবিতে৷ একইভাবে গত ২০ অক্টোবর নগদ ৫০ হাজার টাকা বাপের বাড়ি থেকে নিয়ে আনার দাবি করে স্ত্রীকে মারধর করে মেরে ফেলার চেষ্টা করে স্বামী ,শ্বশুর এবং শাশুড়ি৷ পরবর্তী সময় স্বামীর বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে বাপের বাড়িতে পুরো ঘটনাকে জানিয়ে উদয়পুর মহিলা থানায় অভিযোগ করে৷
অভিযোগ করার পরও উদয়পুর মহিলা থানা পুলিশ ঘটনার এখনো কোনো সুরাহা করতে পারেনি৷ নির্যাতিতা গৃহবধূ ও তার পরিবার দাবি জানায় সুবিচারের জন্য৷ একজন পুলিশের লোক হয়ে কিভাবে পণের টাকা দাবি করে স্ত্রীর উপর নির্যাতন করছে সেটা নিয়েও উদয়পুর মহিলা থানার পুলিশ মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছেন৷ নির্যাতিতা গৃহবধূর সারা শরীরে লাঠি দিয়ে মারধর করার ফলে শরীরে বিভিন্ন অংশে রক্ত জমাট বেধে কালো দাগ পড়ে যায়৷ এই নিয়ে উদয়পুর গর্জি কালাবন এলাকায় ছি:ছি: করছে৷