নিজস্ব প্রতিনিধি, উদয়পুর, ২৪ জুলাই৷৷ চিকিৎসায় গাফিলতিতে তরুনী গৃহবধুর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে৷ ঘটনা তেপানিয়া জেলা হাসপাতালে উত্তেজনা৷
খবরে প্রকাশ শুক্রবার সকালে নাগাদ পায়েল দেবনাথ(১৯) দাস নামে এক তরুণী গৃহবধূকে শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে পূর্ব গকুলপুর থেকে উদয়পুর মহাকুমার হাসপাতাল নিয়ে আসেন আত্মীয় পরিজনেরা৷ মহকুমা হাসপাতাল নেওয়ার পর কর্তব্য রত কর্মীরা বলেন করুনা পরিস্থিতিতে টেপানিয়াস্থিত গোমতী জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য৷ অভিযোগ জেলা হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা গৃহবধুকে জেলা হাসপাতালের তিন তলার উপর মহিলা ওয়ার্ডে পাঠিয়ে দেন৷ মহিলা ওয়ার্ডে নেওয়ার পর কর্তব্যরত সেবিকারা সরাসরি জানিয়ে দেন কোভিড-১৯ টেস্ট না হলে রোগীকে স্পর্শ করা যাবে না৷ সেই মতো পরিবার-পরিজনরা রোগীকে আবার করোনা পরীক্ষার জন্য নিচে নিয়ে আসেন৷ মুহূর্তের মধ্যেই গৃহবধুর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে৷ অভিযোগ পরীক্ষা করিয়ে হাসপাতাল ওয়ার্ডে নিয়ে গেলে গৃহবধূকে ব্যবস্থা পত্র লিখে তেমনভাবে পরিষেবা দেননি কর্তব্যরত চিকিৎসকরা৷
কিছুক্ষন পর গৃহবধূ মৃত্যু কোলে ঢলে পড়েন৷ মুহূর্তের মধ্যেই গৃহবধূর পরিবার-পরিজনরা জেলা হাসপাতালে উত্তেজনা ছড়ায়৷ জেলা হাসপাতালে উত্তেজনার খবর পেয়ে ছুটে আসেন রাধাকিশোরপুর থানার পুলিশ৷ পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন৷ মৃত গৃহবধূকে জেলা হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়৷৷ময়না তদন্ত শেষে দেহ আত্মীয় পরিজনের হাতে তুলে দেওয়া হয়৷পরবর্তীতে পূর্ব গকুলপুর স্থানীয় শ্মশানে সৎকারের ব্যবস্থা করা হ৷ যদিও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে জানান পুলিশ৷ তরুনী গৃহবধুর মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে আসে গোটা এলাকায়৷ গত বছর বৈশাখ মাসে পূর্ব গকুলপুর পুরের শুঁটকি আড়ৎ-এ দৈনিক হাজিরা কর্মী প্রসেনজিতদাসের সাথে পায়েল দেবনাথের বিয়ে হয়৷ পায়েলের মৃত্যুতে পূর্ব গকুলপুর এলাকায় ও উদয়পুরে শোকের ছায়া নেমে আসে৷

