গুয়াহাটি, ৩০ জুন (হি.স.) : অসমে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত। নতুন করে কোনও এলাকা প্লাবিত হওয়ার খবর নেই। ব্রহ্মপুত্র-সহ বিভিন্ন এলাকায় নদী-উপ নদীর জলস্তর খুব ধীরে ধীরে কমছে। তবে রাজ্যের ছয়টি জেলার যে-সব নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছিল, সেই সব গ্রাম থেকে এখনও জল সরেনি বলে জানা গেছে। বিভিন্ন গ্রামে খাদ্য, পানীয় জলের সংকট দেখা দিয়েছে।

এদিকে অসমে চলতি বছরের দ্বিতীয় বন্যায় উজান থেকে নিম্নের ছয়টি জেলার বিভিন্ন গ্রামের ১০,৬৫৯ জন মানুষ বন্যার কবলে পড়েছেন। আসাম স্টেট ডিজেস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি এই তথ্য দিয়ে বলেছে, এই সব জেলার মোট আটটি রাজস্ব সার্কলের ৩৬টি গ্রাম বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। বন্যাক্রান্ত জেলাগুলি ধেমাজি, যোরহাট, ডিব্রুগড়, নলবাড়ি, বরপেটা এবং বাকসা। মোট ১,৮২৭ হেক্টর কৃষিভূমির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে চলতি বন্যায়। এছাড়া ৪,২৬৭টি পল্ট্রি ফার্মও বন্যার দরুন ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে।
এগুলির ১,৯১৪টি ছোট এবং ২,৩৫৩টি বড়। এছাড়া, বঙাইগাঁও, শোণিতপুর, বাকসা এবং মরিগাঁও জেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রহ্মপুত্রের পার ভাঙনের কবলে পড়েছে, জানিয়েছে দুর্যোগ মোকাবিলা কর্তৃপক্ষ।
দুর্যোগ মোকাবিলা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মোট ছয়টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। এগুলির একটি করে বাকসা ও যোরহাট এবং চারটি নলবাড়ি জেলায়।