হুজহেন (চিন), ২৭ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গি ঘাঁটি গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কোনও সামরিক ছাউনির উপর আঘাত হানা হয়নি। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কোনও আপোস নয়। চিনের হুজহেনে অনুষ্ঠিত ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে এমনই জানালেন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ।

ষোড়শ রাশিয়া-চিন-ভারত ত্রিপাক্ষিক বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরে বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বলেন, পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে কোনও সামরিক অভিযান চালানো হয়নি। কোনও সামরিক ঘাঁটির উপর ধ্বংস করে দেওয়া হয়নি। জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি পরিকাঠামো গুড়িয়ে দেওয়াই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল। জইশ-ই-মহম্মদকে পাকিস্তান ক্রমাগত মদত দিয়ে গিয়েছে। এর পাশাপাশি খবর ছিল ভারতের বিভিন্ন জায়গায় জঙ্গি হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুতি নিয়েচ্ছিল জইশ জঙ্গিরা সেই কারণেই স্বতপ্রণোদিত হয়ে এই হামলা চালায় ভারত। হামলার আগে থেকে লক্ষ্যবস্তু স্থির করে বৃহদ জঙ্গি ঘাঁটির উপর আঘাত হানা হয়। এই হামলায় কোনও নিরীহ সাধারণ মানুষ মারা যায়নি। ১৪ ফেব্রুয়ারি জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলা থেকে স্পষ্ট বার্তা পাওয়া গিয়েছে। বিশ্বের সমস্ত দেশকেই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে কোনও রকমের আপোস নয়।
ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে সন্ত্রাসবাদ গুরুত্ব পায়। এর আগে চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াঙ ই-র সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। এছাড়াও রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সারগে লাভরভের সঙ্গে বৈঠক করবেন বিদেশমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, জঙ্গি দমনে পাকিস্তানের মাটিতে ঢুকে ভারতের প্রত্যাঘাতের পর সুর নরম করে চিন। আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা উচিত ভারতের। মঙ্গলবার বিবৃতি জারি করে এমনই জানায় চিন। পাশাপাশি ভারতকে ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে অভিহিত করে সংযম থাকার অনুরোধ করল বেজিং।
চিন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ল্যু কাঙ জানিয়েছেন, ভারত এবং পাকিস্তান দুই রাষ্ট্রই চিনের ঘনিষ্ঠ। পাকিস্তান ও ভারতের উচিত সংযম বজায় রাখা। সমস্ত রিপোর্ট একত্রিত করা হয়েছে। ভারত এবং পাকিস্তান দুইটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র। দুই দেশের মধ্যে উন্নত সম্পর্ক এবং সহযোগিতার থাকলে দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি এবং স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে। সংযত থেকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নত করা উচিত দুই দেশের। আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে জঙ্গিদের মোকাবিলা করা উচিত ভারতের।
চিন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ল্যু কাঙ জানিয়েছেন, ভারত এবং পাকিস্তান দুই রাষ্ট্রই চিনের ঘনিষ্ঠ। পাকিস্তান ও ভারতের উচিত সংযম বজায় রাখা। সমস্ত রিপোর্ট একত্রিত করা হয়েছে। ভারত এবং পাকিস্তান দুইটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র। দুই দেশের মধ্যে উন্নত সম্পর্ক এবং সহযোগিতার থাকলে দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি এবং স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে। সংযত থেকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নত করা উচিত দুই দেশের। আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে জঙ্গিদের মোকাবিলা করা উচিত ভারতের।