নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৩ নভেম্বর৷৷ রাজ্যের প্রাকৃতিক পরিবেশকে রক্ষার উদ্দেশ্যে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে এবং পরিবেশ (সুরক্ষা) আইন,
১৯৮৬ এর ৫ নং ধারায় প্রাপ্ত ক্ষমতা অনুযায়ী রাজ্য সরকার বাজি ও অন্যান্য শব্দবাজি ব্যবহারের উপর কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে৷ আসন্ন দিপাবলী উপলক্ষে বায়ু ও শব্দ দূষণ কমানোর লক্ষ্যেই এই বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে৷ বড়দিন, নববর্ষ ও অন্যান্য বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের ক্ষেত্রেও এই বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে৷ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও পরিবেশ দপ্তর থেকে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই বিধিনিষেধগুলি জারি করা হয়েছে৷ এতে বলা হয়েছে, প্রথমত ত্রিপুরা রাজ্যে কম ধোঁয়াযুক্ত (উন্নত বাজি) এবং সবুজ বাজি তৈরী ও বিক্রয় করা যাবে৷ এগুলি ছাড়া বাকি সমস্ত ধরনের বাজি (৯০ ডেসিবেল এর বেশি শব্দ সম্পন্ন) তৈরি, বিক্রি ও পোড়ানো যাবে না৷ একমাত্র লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যবসায়ীরাই বাজি বিক্রি করতে পারবেন৷ বাজি পোড়ানোর সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে৷ দীপাবলির সময় বাজি পোড়ানোর সময়সীমা হবে রাত আটটা থেকে রাত দশটা৷ বড়দিন ও নববর্ষের ক্ষেত্রে এই সময়সীমা হবে রাত ১১টা ৫৫ মিনিট থেকে রাত ১২টা ৩০ মিনিট৷ রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ দীপাবলির সাতদিন আগে থেকে এবং দীপাবলির সাতদিন পর পর্যন্ত সব মিলিয়ে চৌদ্দদিন শহরগুলিতে এ ব্যাপারে নজরদারী রাখবে৷ দীপাবলি বা অন্য কোন উৎসবের সময় সবাই মিলে নির্দিষ্ট স্থানে সামাজিক বাজি পোড়ানোর ব্যবস্থা করা যায় কিনা খতিয়ে দেখার জন্য জেলা প্রশাসন ও সথানীয় স্বশাসিত সংস্থাগুলিকে বলা হয়েছে৷ তবে এরকম কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে তা দীপাবলি বা সংশ্লিষ্ট উৎসবের এক সপ্তাহ আতে তা করতে হবে যাতে বাজি পোড়ানোর স্থান সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা যায়৷ উপরোক্ত বিধিনিষেধ সঠিকভাবে বলবৎ করার দায়িত্বে থাকবে পুলিশ৷ এ সম্বন্ধীয় কোন আইন লঙ্ঘন করা হলে সংশ্লিষ্ট স্টেশন হাউস অফিসার বা থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার দায়ী থাকবেন৷
2018-11-04

