চাকুরিচ্যুত শিক্ষক, বামফ্রন্ট সরকারের পাপের বোঝা বহন করতে হচ্ছে ঃ বিজেপি

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১ নভেম্বর৷৷ বামফ্রন্ট সরকারের পাপের বোঝা বহন করতে হচ্ছে, চাকুরিচ্যুত শিক্ষকদের নিয়ে এই মন্তব্য করেছে বিজেপি৷ বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের রায় ঘোষনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে দল৷ এরই সাথে বিজেপি দাবি করেছে, রাজ্যের পূর্বতন বামফ্রন্ট সরকার বিগত ২৫ বছরে প্রতিটি রাজ্যবাসীর মাথায় নানা ধরনের বোঝা চাপিয়ে দিয়ে  গেছে৷ বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর এইসব বোঝা লাঘব করে রাজ্যবাসীকে এক নতুন দিশা দেখানোর চেষ্টা শুরু করেছে৷

এদিন বিজেপি প্রদেশ কমিটির মুখপাত্র নবেন্দু ভট্টাচার্য এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করেছেন, বিপ্লব কুমার দেব নেতৃত্বাধীন ষরকার দায়িত্ব নিয়েই মূল সমষ্যাগুলির ষমাধানে বিস্তর পদক্ষেপ নিয়েছে৷ এর মধ্যে একটি বড় বিষয় ছিল আদালতের নির্দেশে চাকুরিচ্যুত ১০৩২৩ বিভিন্ন স্তরের বিদ্যালয় শিক্ষকের ভবিষ্যত৷ রাজ্য ষরকার ষংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে বিস্তর বিচার বিশ্লেষণ করেছে৷ ষমষ্যা দূরীকরণে কি ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যায় তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শও নিয়েছে৷ অনুরূপভাবে, ভারতীয় জনতা পার্টির রাজ্য নেতৃত্বও এইক্ষেত্রে ষহায়ক ভূমিকা নিয়েছে৷

বিবৃতিতে আরোও বলা হয়েছে, সে অনুযায়ী আদালতের নির্দেশে চাকুরিচ্যুত এবং এডহক ভিত্তিতে কর্মরত শিক্ষকদের চাকরির মেয়াদ ২ বছর বৃদ্ধি করার জন্য দেশের সর্বোচ্চ আদালতে আবেদন জানায় রাজ্য ষরকার৷ বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে যথেষ্ট আশা সঞ্চারক সিদ্ধান্ত ঘোষনা করেছে৷ পার্টির রাজ্য নেতৃত্ব সর্বোচ্চ আদালতের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায়৷ একই সঙ্গে রাজ্য সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ এবং ষংশ্লিষ্ট বিষয়ে সরকারের ইতিবাচক মনোভাবকে পূর্ণ সমর্থন ও সাধুবাদ জানায়৷

বিবৃতিতে আরোও বলা হয়েছে,  পার্টি নেতৃত্ব মনে করে পূর্বতন সরকারের ছেড়ে যাওয়া এক বড় ধরনের সমস্যা লাঘব করার একটি সুযোগ পাওয়া গেছে৷ শুধু এই শিক্ষকরাই নন, তাদের পরিবারের সদস্যরাও এতে আশার আলো দেখতে পারছেন৷ রাজ্যের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে শিক্ষকের স্বপ্ণতা কাটিয়ে উঠার ক্ষেত্রে রাজ্য ষরকারের চলতি প্রয়াষে এই ষিদ্ধান্ত যথেষ্ট হবেন৷ এই শিক্ষকদের মধ্যে একটি অংশ যারা শুধুমাত্র পূর্বতন শাসক দলের প্রতি আনুগত্যের কারণে চাকরি পেয়েছেন, কিন্তু তাদের প্রয়োজনীয় যোগ্যতার কিছুই ছিলনা, তারাও দলীয় রাজনৈতিক দায়বদ্ধতাকে বিসর্জন দিয়ে নিজেদের শিক্ষাদানের জন্য উপযুক্ত করে তুলবেন৷ কারণ শিক্ষকরা জাতির মেরুদন্ড, শিক্ষকরাই সুস্থ ষমাজ গঠনের মূল কারিগর৷

বিবৃতিতে আরোও বলা হয়েছে,  রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই বিভিন্ন স্তরের শিক্ষক শিক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে৷ অপ্রশিক্ষিত শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্যও রাজ্য সরকার ব্যবস্থাদি নিয়েছে৷ পদক্ষেপগুলির সুবিধা নিয়ে ষমষ্যার স্থায়ী সমাধানে ষংশ্লিষ্ট সকলকে উদ্যোগী হতে পার্টির রাজ্য নেতৃত্ব আবেদন জানাচ্ছে৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *