গুয়াহাটি, ১০ সেপ্টেম্বর (হি.স.) : জ্বালানি-সহ অত্যাবশ্যক পণ্যসামগ্রীর লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে কংগ্রেস আহূত ভারত বনধ-র ব্যাপক প্রভাব
পড়েছে রাজধানী গুয়াহাটিতে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেও সর্বাত্মক বনধ-এর খবর পাওয়া গেছে। তবে এখন পর্যন্ত বিশেষ কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর আসেনি। কোথাও কোথাও অরাজকতার সৃষ্টি করতে চাইলে পিকেটারদের তুলে নিয়ে গেছে পুলিশ। সচিবালয় এলাকা দিশপুর, লাস্টগেট, বেলতলায় টায়ার পুড়িয়ে প্রতিবাদ করছেন কংগ্রেসিরা।

কংগ্ৰেস তথা ক্ষমতাসীন বিজেপি-বিরোধী দলগুলি দেশে পেট্রোল ডিজেল-সহ অত্যাবশ্যক নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ ভোর পাঁচটা থেকে সন্ধ্যা পাঁচটা পর্যন্ত বারো ঘণ্টার ভারত বনধ-এর ডাক দিয়েছিল। অসমে এই বনধ সফল করতে প্রদেশ থেকে জেলাস্তরে গত দিনকয়েক ধরে ব্যাপক প্রচার চালিয়েছিল কংগ্রেস। গুয়াহাটিতে কয়েকদিন থেকে বাসর পেতেছেন কেন্দ্রীয় নেতা তথা অসমের পর্যবেক্ষক হরিশ রাওয়াত। গতকাল দফায় দফায় তাঁর নেতৃত্বে রাজপথে মিছিল করেছিল প্রদেশ নেতৃত্ব। রাতেও মশাল মিছিলে পা মিলিয়েছেন তিনি।
এদিকে বনধ-এ সম্ভাব্য যে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি থেকে দূরে থাকতে গুয়াহাটিতে আজ বেসরকারি স্কুল-কলেজে ছুটি ঘোষণা করে হয়েছে। অপেক্ষাকৃত ছোট বেসরকারি অফিসও ছুটির অবকাশ যাপন করছে। গুয়াহাটিতে অসম জাতীয় বিদ্যালয়, সেন্ট মেরিজ, হলিচাইল্ড ইত্যাদি প্রথমসারির বেসরকারি স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে। মহানগরের রাজপথে কোনও যানবাহন নামেনি। তবে হাতেগোনা কয়েকটি ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল করছে। বেসরকারি সিটিবাস না-চললেও অসম রাজ্য পরিবহণের সরকারি বাসগুলি চলছে।
আজকের ভারত বনধ কর্মসূচিকে কংগ্ৰেসকে পূর্ণ সমৰ্থন করেছে অসম চা মজদুর সংঘ-সহ অন্যান্য সমমতাদর্শের অরাজনৈতিক সংগঠন।