ভারতের বৈচিত্রময় সংসৃকতি সকলের গর্ব ঃ রাজস্ব মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১১ আগস্ট ৷৷ এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত সাংসৃকতিক বিনিময় কর্মসূচিতে আজ রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে ত্রিপুরা ও মিজোরামের সাংসৃকতিক দল বর্ণময় সাংসৃকতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন৷ রাজ্য সরকারের তথ্য ও সংসৃকতি দপ্তর, ত্রিপুরা পর্যটন দপ্তর এবং মিজোরাম সরকারের যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সাংসৃকতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে রাজস্ব মন্ত্রী নরেন্দ্র চন্দ্র দেববর্মা বলেন, এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত এই থিমকে কেন্দ্র করে ত্রিপুরা ও মিজোরামের মধ্যে সাংসৃকতিক বিনিময় কর্মসূচিতে দুই রাজ্যের পারস্পারিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে৷ আমাদের এই দুই প্রতিবেশী রাজ্যের ঐতিহ্যময় সাংসৃকতির চর্চা ও প্রসার আরও বাড়বে৷ তিনি বলেন, ভারতের বৈচিত্র্যময় সংসৃকতি আমাদের সকলের গর্ব৷ এই সংসৃকতির প্রসারের মধ্য দিয়ে আমাদের কৃষ্টি, সংসৃকতিকে রক্ষার পাশাপাশি জাতীয় সংহতিকে আরও সুদৃঢ় করবে৷
অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণে তথ্য ও সংসৃকতি দপ্তরের অধিকর্তা বিশ্বশ্রী বি এই অনুষ্ঠানের তাৎপর্যের উল্লেখ করে বলেন, সর্দার ভল্লবভাইল প্যাটেলের ১৪৮তম জন্ম তিথিতে ২০১৫ সালের অক্টোবর মাস থেকে এই কর্মসূচির শুরু হয়েছিল, যার মূখ্য উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন রাজ্যের মধ্যে সংসৃকতির আদান-প্রদান৷ ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মিউজিক ডিপার্টমেন্টের সহকারী-অধ্যাপক ড উৎপল বিশ্বাসের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে মিজোরাম সরকারের পক্ষ থেকে মোসেস লালথানপুইয়া উপস্থিত ছিলেন৷ অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে মিজোরামের সাংসৃকতিক দলকে স্বারক উপহার দিয়ে সম্মান জানানো হয়৷ পাশাপাশি মিজোরামের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিগণকে স্মারক উপহার দেওয়া হয়৷ অনুষ্ঠানে মিজোরামের সাংসৃকতিক দল চেরো নৃত্য, ছেইলাম নৃত্য, সারলামকাই নৃত্য ইত্যাদি পরিবেশন করেন৷ তেমনি রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী মামিতা নৃত্য ও দলগত রবীন্দ্র নৃত্য পরিবেশিত হয়৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *