নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৩১ জুলাই৷৷ রাজ্যে আইনের শাসন পুণঃপ্রতিষ্ঠিত করার দাবীতে মঙ্গলবার পুলিশ হেডকোয়র্টারের সামনে বামপন্থীরা ধর্না দিয়েছেন৷ সিপিএমের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, রাজ্যে সন্ত্রাস, খুন, লুটতরাজ ও অগ্ণিসংযোগের ঘটনা ঘটে চলেছে৷ এক অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে৷ এরই প্রেক্ষিতে এদিন সিপিএম রাজ্য নেতৃত্বের তরফ থেকে এক প্রতিনিধিদল রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশকের কাছে স্মারক লিপি তুলে ধরা হয়েছে৷
পুলিশ মহানির্দেশকের কাছে ডেপুটেশন দেওয়ার পর সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য গৌতম দাস জানিয়েছেন, সিপিএম দলের পার্টি অফিসগুলি যেভাবে গুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, অগ্ণি সংযোগ করা হচ্ছে তা ফ্যাসিস্ট আচরণ৷ গৌতম দাস আরও বলেন, রাজ্যে আইনের শাসন নেই৷ মানুষ কাজ পাচ্ছে না৷ খাদ্যের সংকটে রয়েছে৷ শুধু তাই নয় রাতের আগরতলা শহরও নিরাপদ নয়৷ বাইক বাহিনী দলবদ্ধভাবে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়ায়৷ যেকোন সময় বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা সংগঠিত করতে পারে৷ এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে আইনের শাসন সম্পূর্ণ ভেঙ্গে পড়েছে৷ আইনের শাসন পুনরুদ্ধার করার দাবীতে এদিন সিপিএমের তরফ থেকে ডিজিপির কাছে স্মারক তুলে দেওয়া হয়৷
এদিন, প্রাক্তন মন্ত্রী মানিক দে, প্রাক্তন বিধায়ক পবিত্র কর সহ দলের শীর্ষ নেতৃত্বরা পুলিশ সদর কার্য্যালয়ের সামনে ধর্ণায় সামিল হন৷ হঠাৎ করে মিছিল এবং ধর্ণা কর্মসূচিতে রাজধানীতে রাজনৈতিক পারদ উর্দ্ধে উঠে৷ এদিন গৌতম দাস আরও অভিযোগ করেছেন, দলের তরফ থেকে বিভিন্ন স্থানে সভা, সমাবেশ কিংবা মিছিল করতে চাইলে প্রশাসনের তরফ থেকে অনুমতি দেওয়া হয়না৷ এখানে একনায়কতন্ত্র কায়েম করার চেষ্টা চলছে৷ পাহাড়ী জনপদে জনগণ শান্তিতে বসবাস করতে পারছে না৷ কাজ নেই, খাদ্য নেই৷ তাতে করে মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বেড়ে গিয়েছে৷ পরিবহণ ব্যবস্থাও প্রভাবিত হয়েছে৷ রেলের যাত্রী সংখ্যা চল্লিশ শতাংশের উপর কমে গিয়েছে কিছুদিনে৷
2018-08-01