
পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টিকে (পিডিপি)ভাঙার চেষ্টা করছে বিজেপি, এই খবরেই এখন সরগরম কাশ্মীর উপত্যকা। কিছুদিন আগেই মুফতির ওপর থেকে সমর্থন তুলে নিয়েছে বিজেপি। বিধানসভায় গরিষ্ঠতা না থাকায় মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফাও দেন তিনি। অভিযোগ, তারপরই বিজেপি নেমেছে বিধায়ক কেনাবেচার খেলায়।
বিক্ষুব্ধ পিডিপি বিধায়কদের নিয়ে সরকার গড়ার ষড়যন্ত্র চলছে, এই খবরে ইন্ধন জোগান ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লাও। টুইটারে তিনি জানান, পিডিপি নেতাদের একটা বড় অংশ বিজেপি শীর্ষনেতৃত্বের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।
এরপরই কড়া প্রতিক্রিয়া নিয়ে ময়দানে নামলেন মেহবুবা। তাঁর হুঁশিয়ারি, পিডিপি ভাঙলে কাশ্মীর ফিরে যাবে ১৯৮৭ সালে। প্রসঙ্গত, ১৯৮৭ সালে কাশ্মীর নির্বাচনে নয়াদিল্লির হস্তক্ষেপে রিগিংয়ের অভিযোগ উঠেছিল। তারপর থেকেই বদলে যায় কাশ্মীরের রাজনীতি। মাথাচাড়া দেয় বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন। কাশ্মীরের পণ্ডিত সম্প্রদায়ের বহু মানুষ উপত্যকা ছাড়েন। জম্মু-কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্টের নেতা ইয়াসিন মালিক বা হিজবুল মুজাহিদিন প্রধান সৈয়দ সালাহউদ্দিনও সেই আন্দোলনের পরিণতি। মেহবুবার হুমকি, নয়াদিল্লির হস্তক্ষেপে পিডিপি ভাঙা হলে একাধিক সালাহউদ্দিন বা ইয়াসিন মালিকের জন্ম দেবে উপত্যকা। কাশ্মীর আবার ফিরে যাবে ১৯৮৭ সালে।