নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১ জুলাই৷৷ চিটফান্ড কান্ডে রাজ্যে সিবিআই’র নজর পড়তেই দফাওয়ারি জেরা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক নেতাদের৷ গত বৃহস্পতিবার সিবিআই জেরা করেছে মন্ত্রী বিজিতা নাথকে৷ প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছিল বিজিতা নাথকে দিয়েই চিটফান্ড ইস্যুতে সিবিআই’র ইনিংস রাজ্যে শুরু হয়েছে৷ কিন্তু, গত ১৬ জুন সিবিআই সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য গৌতম দাশকেও রোজভ্যালী চিটফান্ড মামলায় বিভিন্ন প্রশ্ণ করেছে৷
এবিষয়ে এক বিবৃতিতে শ্রীদাশ জানিয়েছেন, গত ১৫ জুন দুপুরে সিবিআই’র কলকাতা অফিসের একজন ইন্সপেক্টর আমার সাথে মোবাইল টেলিফোনে যোগাযোগ করে আমার সময় ও সুবিধামতো স্থানে রোজভ্যালি মামলার বিষয়ে কথা বলতে চান৷ আমি পরদিন অর্থাৎ ১৬ জুন দুপুরে ডেইলি দেশের কথা অফিসে তাঁকে আসতে বলি৷ অফিসারটি আমার ইমেল ঠিকানা জেনে নেন এবং কয়েক ঘন্টা পর আমার ইমেলে সিআরপিসি’র ১৬০ ধারায় সাক্ষী হিসেবে নোটিশ পাঠান৷
বিবৃতিতে তিনি আরো জানান, ১৬ জুন দুপুরে সিবিআই’র কলকাতা অফিসের একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং ইন্সপেক্টর ডেইলি দেশের কথা অফিসে এসে আমার সাথে দেখা করেন এবং কয়েকটি বিষয়ে প্রশ্ণ করেন৷ আমি সে সব প্রশ্ণের জবাব দেই৷ সে সময় আমার আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন৷ এক ঘন্টার মতো কথাবার্তা শেষে সিবিআই ইন্সপেক্টর লিখিত সার্টিফিকেট দেন আমি তাঁদের সাথে পুরোপুরি সহযোগিতা করেছি৷
সিবিআই’র প্রশ্ণের উত্তর দিতে কার্পণ্য করেননি মন্ত্রী বিজিতা নাথ এবং সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য গৌতম দাশও৷ উভয়েই জানিয়েছেন সিবিআই’কে সহযোগিতা করেছেন৷ সমালোচকদের মতে, আরো অনেক শাসক দলীয় নেতাদের সিবিআই নোটিশ পাঠিয়েছে৷ কেন্দ্রীয় এই গোয়েন্দা সংস্থা গোপনীয়তা অবলম্বন করছে৷ সিবিআই সূত্রের বক্তব্য, তদন্তের স্বার্থে গোপনীয়তা অবলম্বন করতেই হচ্ছে৷
এদিকে, শনিবার রোজভ্যালীর অফিসে সিবিআই হঠাৎ হানা দিয়েছে৷
2017-07-02
