নিজস্ব প্রতিনিধি, চড়িলাম, ১৯ ডিসেম্বর৷৷ প্রতিমা হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত বাড়ির মালিক মৃদুল দেববর্মা ও লিটন লস্করকে ছয়দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে সোমবার পুনরায় আদালতে তোলা হয়৷ তদন্তকারী পুলিশ অফিসার তথা বিশালগড় মহিলা থানার ওসি স্বস্তী দাস আবারও সাতদিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদন জানান আদালতে৷ মাননীয় বিচারক পুলিশের আবেদন মোতাবেক আরও দুইদিন রিমান্ডের নির্দেশ দেন অভিযুক্তদের৷ কিন্তু, অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মৃদুল দেববর্মাকে ভর্ত্তি করাতে বাধ্য হয় হাসপাতালে৷ আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, পুলিশ ফরোয়ার্ডিং রিপোর্টে বলেছে প্রতিমা হত্যাকান্ডের ময়না তদন্তের রিপোর্ট পুলিশ সংগ্রহ করেছে৷ তাতে বলা হয়েছে প্রতিমাকে গণধর্ষণ করা হয়েছে৷ তারপর তাকে খুন করা হয়েছে৷ গোপনাঙ্গে ক্ষত ও বেশ কিছু আঘাতের চিহ্ণ পাওয়া গিয়েছে৷ পুলিশ আইপিসির ৩৭৬ (ডি) ধারা যুক্ত করার আবেদন জানালে আদালত তা মঞ্জুর করেছে৷ রিপোর্টে আরও জানানো হয়েছে ধৃত মৃদুল দেববর্মা ও লিটন লস্কর দুজনেই বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দিয়ে ঘটনাকে চাপা দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে৷ পুলিশ বিভিন্ন সাক্ষী ও জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরেছে মৃদুল ও লিটন দুজনই প্রথমে মদ খাইয়ে প্রতিমাকে মৃদুল দেববর্মার পুকুর পারে নিয়ে যায়৷ এতে পুলিশের কাছে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে মৃদুল ও লিটন হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত৷ তারা দুজনেই স্বীকার করেছে মদ খাইয়ে প্রতিমাকে পুকুরের পার পর্যন্ত নিয়ে যায়৷ পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃদুল ও লিটন ছাড়াও এই গণধর্ষণ ও হত্যাকান্ডে আরও কয়েকজন জড়িত রয়েছে৷ পুলিশ তাদের দ্রুত জালে তুলতে সক্ষম হবে৷ প্রসঙ্গত, গত ২৯ নভেম্বর প্রতিমা বর্মন খুন হয়েছে৷
2016-12-20