নিজস্ব প্রতিনিধি, চড়িলাম/আগরতলা, ৭ নভেম্বর৷৷ জলে ডুবে মৃত্যু হল এক সত্তর বছরের বৃদ্ধ মহিলার৷ ঘটনাটি ঘটে বিশ্রামগঞ্জের পাথালিয়াঘাট এলাকায়৷ গত ৬ নভেম্বর ভোর থেকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে তার আত্মীয়পরিজন বিশ্রামগঞ্জ থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করে৷ কিন্তু এলাকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়৷ বৃদ্ধ মহিলা ভোর বেলা হয়ত প্রাকৃতিক কাজ করার জন্য নদীর ধারে আসে৷ তখন ভারী বর্ষণও চলছে, নদীতেও জলের স্রোত৷ হয়ত নদীর জলে ভেসে গেছেন বৃদ্ধ মহিলা পুষ্পরানী দত্ত৷ আত্মীয় পরিজনেরা প্রচুর খোঁজাখঁুজি করেও কোথাও সন্ধান পায়নি মহিলার৷ আজ সকাল ১১টায় বিশ্রামগঞ্জের জগাইবাড়ি এলাকায় একটি নদীতে বিবস্ত্র অবস্থায় ঐ নিখোঁজ বৃদ্ধ মহিলার সন্ধান পায়৷ সঙ্গে সঙ্গে এই খবর পৌঁছায় বিশ্রামগঞ্জ পুলিশ থানায়৷ পুলিশ খবর পেয়ে ছুটে আসে জগাইবাড়ি ব্রিজ সংলগ্ণ এলাকায়৷ পুলিশ ও সাধারণ মানুষের চেষ্টায় ব্রিজের নীচে আটকে থাকতে বৃদ্ধ মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করে উপরে নিয়ে আসে৷ তখন এসআই সঞ্জীব ভৌমিক মৃতদেহ সনাক্ত করে বিশ্রামগঞ্জ প্রাথমিক হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন ময়না তদন্তের জন্য৷ তার অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে৷
এদিকে, জলে ডুবে মৃত্যু হল এক ৬৫ বছর বয়সের বৃদ্ধের৷ ঘটনাটি ঘটে মধুপুরস্থিত খামারহাটি এলাকায়৷ রবিবার দিন নরেশ বিশ্বাস নামে ব্যক্তি বাড়ি খামারহাটি৷ নিজের বাড়ি থেকে তিনি তার শাশুড়ি মারা যাওয়ার খবর পেয়ে শ্বশুরবাড়ি যান৷ সেখানে গিয়ে উনার শাশুড়ির অন্তিমক্রিয়ার জন্য শশ্মানে যায়৷ সেখান থেকে বাড়ি পিরে যাওয়ার পথে বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ মিটার আগে একটি পুকুর৷ সে পুকুরে স্নান করতে পুকুরের জলে নামে৷ রবিবার রাত্র থেকে নরেশ বিশ্বাস (৬৫) কে খুঁজতে শুরু করে তার বাড়ির লোকেরা৷ কিন্তু রাতে খঁুজে পাচ্ছিল না নরেশ বিশ্বাসকে৷ পরদিন সোমবার সকাল বেলা খঁুজতে গিয়ে পুকুরে জলের ভিতর নরেশ বিশ্বাসকে পাওয়া যায়৷ জানা যায় উনার শ্বাসকষ্ট জনিত রোগ ছিল৷ এলাকার লোকদের ধারণা তিনি জলে নামার পড়ে শ্বাসকষ্ট হয়েছিল বলে জানান৷ ঘটনাস্থলে কমলাসাগর ফাঁড়ি থানা এসআই সাধন দাস পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়৷ সেখান থেকে লাশটিকে মধুপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মর্গে নিয়ে রাখা হয়৷ এই ঘটনা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে৷
2016-11-08