পুলিশী হয়রানির অভিযোগ এনে পণ্য পরিবহণ বন্ধ রাখার ঘোষণা টিটিএ’র

TRIPURA POLICEনিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৯ ফেব্রুয়ারি৷৷ পন্য পরিবহনের ক্ষেত্রে পুলিশী হয়রানি বন্ধ করা এবং পুলিশকর্তৃপ সীজ করা ট্রান্সপোটের চালকদের লাইসেন্স অবিলম্বে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবীতে রাজ্যজুড়ে অনির্দিষ্ট কালের জন্য পন্য পরিবহন বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করল অল ত্রিপুরা ট্রান্সপোট এসোসিয়েশন৷ অল ত্রিপুরা ট্রান্সপোট এসোসিয়েশনে এই সিদ্ধান্তে রাজ্যের বাজার গুলোতে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাবে এবং সাধারন মানুষ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়ে আর্থিক হেনস্থায় সৃীকরে হবেন বলেই তথ্য ভিজ মহলের অভিমত৷
দপ্তরের এক অলিখিত নির্দেশ নামা জারিকে কেন্দ্র করে গত প্রায় দুই মাস যাবৎ ট্রান্সপোর্টের সাথে যুক্ত পন্যবাহী লরিগুলোর উপর পুলিশ অজথা হয়রানি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে৷ অভিযোগে প্রকাশ, দপ্তরের এই মৌখিক করখানে বিভিন্ন থানার পুলিশ ট্রান্সপোর্টের সাথে যুক্ত পন্যবাহী লরিগুলোকে যেখন খুশি তেখন আর্থিক জরিমানা করছে এবং এরই পাশাপাশি লরিচালকদের কাছথেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স জোড়পূর্বক কেড়ে নিয়ে ৩ মাসের জন্য সিজ করে দিচ্ছে৷ পুলিশের এহেন জুলুমের ফলে বিভিন্ন মহকুমায় পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে সমস্যা পড়েছেন রাজ্যের ট্রান্সপোর্ট সংস্থাগুলো৷ সোমবার ট্রান্সপোর্ট সংস্থাগুলোর সংঘটন অল ত্রিপুরা ট্রান্সপোর্ট এসোসিয়েশন এর কখকর্তারা এক সংবাদিক বৈঠকে জানান৷ সীখা ছাড়িয়ে গেছে এই পুলিশী জুলুম৷ সেখানে খুশি সেখানে পন্যবাহী চলমান ট্রাক থামিয়ে পুলিশ যেখন খুশি তেমন ফাইল আদায় করছে এবং জোড়করে লরি চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স কেড়ে নিয়ে সিজ করে দিচ্ছে৷ ফলে তিনমাসের জন্য কাজ হারিয়ে রুজি রোজগার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে চালকদের৷ এই পুলিশী জুলুমের জন্যই গত দশ দিন যাবৎ মেলাঘর রোডে অল ত্রিপুরা ট্রান্সপোর্ট এসোসিয়েশনের কোন গাড়ী পন্য নিয়ে যাওয়া আসা করছেনা এবং গত ৫ দিন যাবৎ গোটা রাজ্যে ট্রান্সপোর্ট ব্যবসা মুখ থুবড়ে পড়েছে৷ এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে সংঘটনের সাধারন সম্পাদক সমীর চন্দ্র সাহা জানান, সংঘটন চায়, পন্য পরিবহনের জন্য সংশ্রিষ্ট দপ্তর ট্রান্সপোর্ট সংস্থাগুলোকে গাইডলাইন বেধে দিক৷ আখরা এই গাইড লাইন খেলে কাজকরব৷ লরিচালকদের সিজ করা ড্রাইভিং লাইসেন্স গুলোও অবিলম্বূে ফেরও দেবার দাবী জানান সমীর চন্দ্র সাহা৷ কর্তৃপক্ষ যতদিন পর্যন্ত এই দাবী না খেলে নেবেন ততদিন পর্যন্ত তারা রাজ্য ব্যাপী পন্য পরিবহন বন্ধ রাখবেন বলে ওল ত্রিপুরা ট্রান্সপোর্ট এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক জানান শ্রী সাহা আরো জনান যে প্রতিদিন সংঘটনের ৫০ টি ট্রাক বিভিন্ন মহকুমায় পন্য পরিবহন করে থাকে৷ একে কেন্দ্র করে ১ হাজারেরও বেশী শ্রমিক জীবীকা অর্জন করেন৷ পুলিশী হয়রানীর দরুন সৃষ্ট এই অচল অবস্থায় দরুন ট্রান্সপোর্ট ব্যবসা দারুন অর্থিক ক্ষতি মুখে পড়েছে বলেও সংঘটনের সাধারন সম্পাদক জানিয়েছেন৷
এদিকে ট্রান্সপোর্ট সংঘটনের এহেন সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যের বাজারগুলোতে নিত্য প্রয়োজনিয় দ্রব্যমুল্য আরো বৃদ্ধি পাবে বলে তথ্য ভিঞ্জমহলের আশঙ্কা আর বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যদির মূল্য বৃদ্ধি পেলে সাধারন মানুষ এক প্রকার অর্থিক হেনস্থার স্বীকার হবেন বলেও তথ্য ভিঞ্জ মহলের অভিমত৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *