লখনউ, ৬ জানুয়ারি (হি.স.) : দিল্লির জেএনইউ কান্ডের পর চূড়ান্ত সতর্কতা জারি গোটা উত্তরপ্রদেশজুড়ে। রাজ্য পুলিশের শীর্ষকর্তারা ইতিমধ্যেই জেলা পুলিশ প্রশাসনকে সতর্ক করে দিয়েছে। যে কোনও রকমের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে জেলা পুলিশ কর্তাদের।
জাতীয় নাগরিকত্ব সংশোধনী (সিএএ) নিয়ে ইতিমধ্যেই সরগরম রাজ্য রাজ্যনীতি। এর মধ্যে পাকিস্তানে নানকানা শিখগুরুদ্বারে হামলা এবং মার্কিন ড্রোন হামলায় ইরানের সেনাকর্তার মৃত্যুর পর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় প্রায় রোজই বিক্ষোভ প্রদর্শন হচ্ছে। এর মধ্যে জেএনইউ হামলার পর উত্তরপ্রদেশের সার্বিক পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ প্রশাসন। রাজ্যের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ছাত্র আন্দোলনের উপর নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাজ্যের ডিজি ওপি সিং জানিয়েছেন, নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি জেলা পুলিশ সুপারকে এই বিষয়ে যাবতীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের তরফে জানতে পারা গিয়েছে, সাম্প্রদায়িক রাজনীতির ফলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। কার্যত রাজ্যের প্রতিটি জেলায় বিক্ষোভ চলছে। সিএএ নিয়ে জনতার মধ্যেই এখনও অসন্তোষ চলছে। ইরানের সেনার কর্তার মৃত্যুর পর আন্দোলনে নেমেছে শিয়া সম্প্রদায়ের জনতা অন্যদিকে নানকানা সাহেব গুরুদ্বারে হামলার পর একাধিক জায়গায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছে শিখ সংগঠনগুলি।
উল্লেখ করা যেতে পারে, রবিবার রাতে মুখে কাপড় বেঁধে জেএনইউ ক্যাম্পাসে ঢুকে তাণ্ডপ চালায় একদল দুষ্কৃতি। এই হামলায় একাধিক পড়ুয়া গুরুতর জখম হন। তৎক্ষণাত তাদের দিল্লির এইমস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই হামলার প্রতিবাদে ওইদিন রাতে আলিগড় মুসলমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা হাতে মোমবাতি নিয়ে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দেখায়।

