আগরতলা, ১৮ মার্চ: ত্রিপুরা বিধানসভার চলতি অধিবেশনের চতুর্থ দিনে শাসকদল বিজেপির বিধায়ক রামপদ জমাতিয়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিধানসভার নতুন স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হলেন।
এই বিষয়ে স্পিকার-ইন-চার্জ রামপ্রসাদ পাল জানান, রামপদ জমাতিয়ার প্রার্থিতাকে সমর্থন করে মোট তিনটি প্রস্তাব জমা পড়ে। প্রথম প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা এবং সমর্থন করেন বিধায়ক স্বপ্না দাস পাল। দ্বিতীয় প্রস্তাবটি দেন বনমন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা, যাকে সমর্থন করেন টিপরা মথার বিধায়ক চিত্তরঞ্জন দেববর্মা। তৃতীয় প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন সমবায় মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া এবং সমর্থন করেন চিফ হুইপ কল্যাণী সাহা রায়।
সমস্ত প্রস্তাব খতিয়ে দেখার পর বিষয়টি বিধানসভায় উত্থাপন করা হয়। অন্য কোনও প্রার্থী না থাকায় এবং কোনও বিরোধিতা না থাকায় রামপদ জমাতিয়াকে সর্বসম্মতভাবে স্পিকার পদে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।
উল্লেখ্য, এর একদিন আগে বিধানসভার সচিব এ.কে. নাথের কাছে স্পিকার পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন রামপদ জমাতিয়া।
নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁকে শুভেচ্ছা জানান মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা, চিফ হুইপ কল্যাণী সাহা রায়, বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী, টিপরা মথার বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মা এবং কংগ্রেস বিধায়ক বিরাজিত সিনহা সহ অন্যান্যরা।
শুভেচ্ছা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, হাউসের নেতা হিসেবে বলতে চাই, আমরা এমন একজন ব্যক্তিকে পেয়েছি যিনি দুইবারের বিধায়ক, রাজনীতি ও সমাজসেবায় যুক্ত থেকেছেন এবং মন্ত্রীর দায়িত্বও সামলেছেন। আমি ত্রিপুরার জনগণ ও ট্রেজারি বেঞ্চের পক্ষ থেকে তাঁকে অভিনন্দন জানাই। আশা করি তিনি নিরপেক্ষতা বজায় রেখে নতুন ইতিহাস গড়বেন।
অন্যদিকে বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ায় তাঁকে অভিনন্দন জানাই। তাঁর কর্মজীবনের শুরু থেকেই আমি তাঁকে চিনি। এই আসনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিরোধী বেঞ্চ ছোট হলেও আমরা যেন কথা বলার সুযোগ পাই—এই প্রত্যাশা রাখছি। তিনি যেন হাউসের মর্যাদা বজায় রাখেন।

