এমজিএনআরইজিএ ইস্যুতে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা ঘেরাওয়ের ডাক কংগ্রেসের, একাধিক নেতা-কর্মী আটক

লখনউ, ১৭ ফেব্রুয়ারি (আইএএনএস): মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন (এমজিএনআরইজিএ) দুর্বল করা এবং শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি না দেওয়ার অভিযোগে মঙ্গলবার উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা অভিমুখে মিছিল করে ‘বিধানসভা ঘেরাও’-এর ডাক দেয় কংগ্রেস। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে একাধিক নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ।

বিধানসভা চত্বরে নিরাপত্তা জোরদার করে ব্যারিকেড বসায় পুলিশ। প্রতিবাদকারীদের অগ্রসর হওয়া আটকাতে র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) ও রাজ্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে বিক্ষোভ ছত্রভঙ্গ করতে মৃদু বলপ্রয়োগ করা হয় বলে জানা গিয়েছে।

কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপি-নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন-এর বাস্তবায়নে গাফিলতি করছে এবং প্রকল্পটিকে দুর্বল করে দিচ্ছে।

উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অজয় রাই-এর নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক বিধানসভা চত্বরে পৌঁছনোর চেষ্টা করেন। উত্তেজনা বাড়লে অজয় রাই-সহ বেশ কয়েকজন নেতাকে আটক করা হয়।

আইএএনএস-কে অজয় রাই বলেন, “আমাদের কর্মীদের উপর লাঠিচার্জ করা হচ্ছে। তাঁদের হেনস্থা করা হচ্ছে। আমরা আমাদের কর্মীদের বিধানসভায় নিয়ে যাব। তাঁদের গায়ে যত লাঠি পড়বে, তার জন্য সরকারকে জবাবদিহি করতে হবে।”

এছাড়াও কংগ্রেস সাংসদ কিশোরীলাল শর্মা পুলিশি পদক্ষেপের সমালোচনা করে একে গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর আঘাত বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে বিধানসভা ঘেরাওয়ের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলাম। আমরা কোনও ভাঙচুর বা পুলিশের সঙ্গে সংঘাতে জড়াইনি। তবুও আমাদের বিধানসভায় ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।”

এমজিএনআরইজিএ ছাড়াও শঙ্করাচার্য সংক্রান্ত বিতর্ক, আহিল্যাবাই হোলকর সম্পর্কে মন্তব্য এবং দালমান্ডি উচ্ছেদ ইস্যুতে রাজ্য সরকারের প্রকাশ্য ক্ষমা প্রার্থনার দাবিও তুলেছে কংগ্রেস।

পরিস্থিতি ঘিরে লখনউয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

Leave a Reply