আগরতলা, ২ ডিসেম্বর:
৫১ শক্তিপীঠের মধ্যে উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির মধ্যে আসাম, মেঘালয় এবং ত্রিপুরায় শক্তিপীঠ রয়েছে। এই অঞ্চলের পর্যটনের বিকাশে এই সকল ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্রগুলিকে বিমান যোগাযোগের আওতায় আনার উপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এর ফলে দেশ বিদেশের পর্যটকরা আরও বেশি করে উত্তর পূর্বাঞ্চল রাজ্যগুলিতে ভ্রমনে আকৃষ্ট হবেন। আজ ত্রিপুরা ইনস্টিটিউশন ফর ট্রান্সফরমেশন কার্যালয়ের কনফারেন্স হলে উত্তর পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন (ডোনার) মন্ত্রকের উদ্যোগে পর্যটনের প্রসারে গঠিত উচ্চ পর্যায়ের টাস্ক ফোর্সের সভায় মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা এই অভিমত ব্যক্ত করেন।
উত্তর পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন (ডোনার) মন্ত্রকের-এর মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া আজকের এই ভার্চুয়াল সভায় সভাপতিত্ব করেন। ভার্চুয়ালী এই সভায় উত্তর পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন (ডোনার) মন্ত্রকের-এর প্রতিমন্ত্রী ড. সুকান্ত মজুমদার, মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরেড সাংমা, সিকিমের পর্যটন মন্ত্রী টি টি ভুটিয়া, অরুনাচল প্রদেশের পর্যটন মন্ত্রী পি বি সোনা সহ সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ আধিকারিকগণ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সভায় রাজ্যের পরিকল্পনা দপ্তরের সচিব এল টি ডার্লং, পর্যটন দপ্তরের সচিব ইউ কে চাকমা, পর্যটন দপ্তরের অধিকর্তা প্রশান্ত বাদল নেগিও উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে চিকিৎসা ব্যবস্থায় অনেক সুযোগ সুবিধা রয়েছে। চিকিৎসা ক্ষেত্রের এই সমস্ত সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করার জন্য বহু জায়গা থেকে লোক উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে আসতে পারেন। এইজন্য পর্যটন শিল্পের বিকাশের পাশাপাশি মেডিক্যাল টুরিজমের উপরও বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া আবশ্যক। উত্তর পূর্বাঞ্চল রাজ্যগুলিতে ভ্রমণকারী পর্যটকদের সুবিধার্থে নর্থ ইষ্ট টুরিজিম ট্রেন, নর্থ ইষ্ট টুরিজিম অ্যাপ চালু করার বিষয়েও মুখ্যমন্ত্রী গুরুত্ব-আরোপ করেন। তিনি বলেন, উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে হর্ণ বিল উৎসব, ইউনিটি প্রোমো ফেস্ট ইত্যাদি উৎসবের আয়োজন করা হয়। পর্যটন শিল্পের বিকাশে এই উৎসবগুলিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

