আগরতলা, ২৬ মার্চ : কালোবাজারি রোধ করতে নতুন খাদ্য পরিদর্শক নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন খাদ্য মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। ফুড ইন্সপেক্টরে ৫৭টি পদে মধ্যে বর্তমানে ২৯টি পদ পূরণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে, ত্রিপুরা পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (টিপিএসসি) মাধ্যমে আরও ১৫ জন প্রার্থীদের নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।
আজ ত্রিপুরা বিধানসভায় বাজেট অধিবেশনের চতুর্থ দিনে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ক্রমবর্ধমান দাম নিয়ে আলোচনা প্রাধান্য পায়। কংগ্রেস বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায় সরকারের পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার সমালোচনা করে বলেন, “রাজ্য জুড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আকাশছোঁয়া। খাদ্য, নাগরিক সরবরাহ এবং ভোক্তা বিষয়ক বিভাগ যদি মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়, তবে মজুতদার এবং পাইকারি বিক্রেতারা সুবিধা নেবে। তিনি বলেন, খাদ্য পরিদর্শকের অনুমোদিত পদ বাড়ানো উচিত এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দৈনিক পরিদর্শন কার্যকর করা উচিত। শূন্য পদের অবিলম্বে নিয়োগ অত্যন্ত জরুরি। আলোচনায় যোগ দিয়ে তিপরা মথা বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি “১৫ জন নতুন খাদ্য পরিদর্শকের নিয়োগে এসসি এবং এসটি প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষণ নীতি বজায় রাখা হয়েছে কি, তা প্রশ্ন করেন। এর
জবাবে মন্ত্রী চৌধুরী বলেন,নিয়োগ প্রক্রিয়া সংরক্ষণ নীতি মেনে চলেছে। “যেকোনো নিয়োগে রোস্টার বাধ্যতামূলক।
এদিন তিনি বলেন, মোট পদের মধ্যে ৩১% তফসিলি উপজাতি (এসটি) প্রার্থীদের জন্য, ১৭% তফসিলি জাতি (এসসি) প্রার্থীদের জন্য এবং বাকিগুলো অসংরক্ষিত (ইউআর) বিভাগের জন্য সংরক্ষিত, যেখানে ৩৩% পদ মহিলা প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে। এদিন তিনি, মূল্য বৃদ্ধির উপর কালোবাজারির প্রভাব স্বীকার করেন। “পদ তৈরি এবং পূরণের জন্য অর্থ বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন। আমরা ২০টি খাদ্য পরিদর্শকের পদের জন্য আবেদন করেছিলাম এবং ১৫টির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৫-২০ দিনের মধ্যে নিয়োগপত্র জারি করা হবে। খাদ্য বিভাগ কালোবাজারির বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে এবং আমাদের প্রচেষ্টা বিভিন্ন সংবাদপত্রে তুলে ধরা হয়েছে।

